শনিবার , ১৩ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কক্সবাজার সফরে যাচ্ছেন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ১৩, ২০২৬ ৩:০১ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো আজ শনিবার (১৩ জুন) এক দিনের বিশেষ সফরে সপরিবারে কক্সবাজার তারেক রহমান। সকালে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে তিনি কক্সবাজারের উদ্দেশে রওনা দেবেন। সরকারপ্রধানের এই গুরুত্বপূর্ণ সফরকে কেন্দ্র করে পুরো কক্সবাজার জেলায় কঠোর ও নিটোল নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর আগমন, সমাবেশস্থল এবং বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প এলাকা ইতোমধ্যেই সরজমিনে পরিদর্শন করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দীন আহমেদ ও স্থানীয় দলীয় নেতৃবৃন্দ।

প্রধানমন্ত্রীর দিনের মূল কর্মসূচিসমূহ

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিনব্যাপী সফরের কর্মসূচিতে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে:

  • ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন: কক্সবাজারবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত স্বপ্ন পূরণে পেকুয়া পৌরসভা এবং মাতামুহুরী নতুন উপজেলার আনুষ্ঠানিক ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী।
  • বিকেলের জনসভা: বিকেল বেলা চকরিয়া বাস টার্মিনালে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক বিশাল জনসভায় প্রধান অতিথি হিসেবে ভাষণ দেবেন তিনি。
  • মেরিন ড্রাইভ পরিদর্শন: সফরকালে তিনি কক্সবাজারের বিখ্যাত ও দৃষ্টিনন্দন মেরিন ড্রাইভ সড়ক সশরীরে ঘুরে দেখবেন।
  • সুধী সমাবেশ: দিনের কর্মসূচি শেষে সন্ধ্যার সময় তিনি স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও সুধীজনদের নিয়ে আয়োজিত একটি বিশেষ সুধী সমাবেশে অংশ নেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে কক্সবাজারবাসীর প্রধান প্রধান প্রত্যাশা ও দাবি

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে ঘিরে জেলার সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝেও ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা ও জোরালো প্রত্যাশার সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় নাগরিক ও ব্যবসায়ী সমাজ জেলার সার্বিক অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারপ্রধানের সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করে নিম্নলিখিত দাবিগুলো তুলে ধরেছেন:

  • যোগাযোগ ও শিক্ষা অবকাঠামো: চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক দ্রুত ছয় লেনে উন্নীতকরণ, কক্সবাজারে একটি পূর্ণাঙ্গ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং মহেশখালী-কক্সবাজার চ্যানেলে একটি আধুনিক সেতু নির্মাণ।
  • পর্যটন ও বিমানবন্দর: জেলার প্রধান অর্থনৈতিক চালিকাশক্তি পর্যটন খাতের আধুনিক উন্নয়ন এবং কক্সবাজার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের আন্তর্জাতিক রুটে পূর্ণাঙ্গ ব্যবহার নিশ্চিতকরণ।
  • রোহিঙ্গা ও সীমান্ত নিরাপত্তা: রোহিঙ্গা নাগরিকদের নিজ দেশে নিরাপদ প্রত্যাবাসনে সরকারের কার্যকর কূটনৈতিক উদ্যোগ গ্রহণ, মাদক চোরাচালান সম্পূর্ণ বন্ধ করা এবং সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ।
  • স্থানীয় শিল্প ও উপকূল রক্ষা: উপকূলীয় অঞ্চলের লবণ চাষিদের জন্য লবণের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতকরণ, ঐতিহ্যবাহী শুঁটকি শিল্প রক্ষা এবং কুতুবদিয়া দ্বীপকে ভাঙন থেকে রক্ষায় একটি দীর্ঘমেয়াদি ও টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণ।

সর্বশেষ - অপরাধ