প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর নিয়ে নীতিগত কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে নিশ্চিত করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান। এর আগে সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এক সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও বিমসটেকের পক্ষ থেকে সফরের আমন্ত্রণ থাকলেও সুবিধাজনক সময়ে বাংলাদেশ সরকার সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।
সংবাদ সম্মেলনে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার বিশদ বিবরণ তুলে ধরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতে দণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনার আইনি প্রক্রিয়া দ্রুত সম্পন্ন করতে নয়াদিল্লিকে তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে শহীদ ওসমান হাদি হত্যা মামলার পলাতক আসামিদের হস্তান্তরের অনুরোধ জানিয়ে প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ভারত সরকারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। দিল্লির রাজনৈতিক মঞ্চ ব্যবহার করে বিচার বিভাগকে হেয় করার উদ্দেশ্যে শেখ হাসিনার দেওয়া বক্তব্যে গভীর অসন্তোষ প্রকাশ করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছে যে ভারত দায়িত্বশীল আচরণ করবে এবং বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার সুযোগ কাউকে দেবে না।


















