শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল মোড়ে ইনকিলাব মঞ্চের ‘যমুনা’ অভিমুখে পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে পুলিশ ও আন্দোলনকারীদের মধ্যে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়েছে। ইনকিলাব মঞ্চের দাবি, পুলিশের গুলিতে সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবেরসহ অনেকে আহত হয়েছেন। তবে পুলিশ ও সরকার স্পষ্টভাবে গুলিবর্ষণের বিষয়টি অস্বীকার করেছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালকও জানিয়েছেন, চিকিৎসা নিতে আসা অর্ধশতাধিক ব্যক্তির মধ্যে কোনো ‘গুলির রোগী’ পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় ডাকসু ও রাকসু নেত্রীসহ শতাধিক ব্যক্তি আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। সরকার জানিয়েছে, হাদি হত্যার তদন্তে রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) জাতিসংঘকে চিঠি পাঠানো হবে এবং নির্বাচনের আগে সবাইকে ধৈর্য ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিচে সংঘর্ষ ও হতাহতের একটি তুলনামূলক চিত্র দেওয়া হলো:
| পক্ষ | দাবি/বক্তব্য |
| ইনকিলাব মঞ্চ | পুলিশ গুলি চালিয়েছে; সদস্যসচিব জাবেরসহ শতাধিক আহত। |
| পুলিশ ও ডিএমপি | কোনো আগ্নেয়াস্ত্র বা গুলি ব্যবহার করা হয়নি; কেবল টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ব্যবহৃত হয়েছে। |
| ঢামেক হাসপাতাল | আহতদের জখম রয়েছে, কিন্তু কোনো গুলির আঘাত পাওয়া যায়নি। |
| সরকার | তিন জন নিহতের খবরটি গুজব; হাদি হত্যার বিচারে সরকার বদ্ধপরিকর। |



















