বৃহস্পতিবার , ৯ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ইরানের মাশহাদে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৯, ২০২৬ ১২:১৮ অপরাহ্ণ

Spread the love

ইরানের সদ্যপ্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির জানাজা ও দাফন সম্পন্ন হওয়ার জন্য নির্ধারিত উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় পবিত্র শহর মাশহাদেই মার্কিন সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় রাজধানী তেহরানের সঙ্গে ট্রেন চলাচল মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই, ২০২৬) ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আইআরআইবি (IRIB) জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় এই গুরুত্বপূর্ণ ও কৌশলগত রেলপথটি সরাসরি লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছে। অন্যদিকে, দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে যে মার্কিন বোমাবর্ষণে ওই রুটের অন্তত দুটি প্রধান রেলসেতু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে গেছে। ইরানের ইসলামিক রিপাবলিক রেলওয়ের (RAI) একজন মুখপাত্র আইআরজিসি-সংশ্লিষ্ট বার্তা সংস্থা তাসনিম-কে জানিয়েছেন, লাখ লাখ শোকগ্রস্ত মানুষের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ের মধ্যে এই ক্ষতিগ্রস্ত রুটটি মেরামতের জন্য প্রকৌশলীরা কাজ করছেন। উল্লেখ্য, রাজধানী তেহরান এবং উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় শহর মাশহাদের মধ্যকার এই রেলপথটি ইরানের পুরো রেল নেটওয়ার্কের মধ্যে সবচেয়ে ব্যস্ততম ও গুরুত্বপূর্ণ রুট হিসেবে পরিচিত।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের পরবর্তী হামলার হুঁশিয়ারি

ইরানের অভ্যন্তরে এই বড় ধরণের সামরিক ক্ষয়ক্ষতির ঠিক আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওয়াশিংটনে এক বিবৃতিতে হুঙ্কার দিয়ে বলেছিলেন, “গত রাতে আমরা ইরানে খুব কঠোরভাবে হামলা চালিয়েছি, খুবই কঠোরভাবে। সম্ভবত আজ রাতেও তাদের ওপর আরও ভয়াবহ ও বিধ্বংসী হামলা চালানো হবে।” ট্রাম্পের এই সরাসরি হুমকির পরপরই ইরানের মূল ভূখণ্ডের অর্থনৈতিক ও যোগাযোগ অবকাঠামো লক্ষ্য করে মার্কিন বিমান বাহিনী একের পর এক হামলা চালাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের সার্বিক যুদ্ধ পরিস্থিতিকে চূড়ান্ত রূপ দিয়েছে।

জন্মশহর মাশহাদে পৌঁছেছে খামেনির মরদেহ, ইমাম রেজার মাজারে দাফনের প্রস্তুতি

রেলপথ অবরুদ্ধ ও যুদ্ধাবস্থার তীব্র উত্তেজনার মাঝেই আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির মরদেহবাহী বিশেষ বিমানটি দেশটির পূর্বাঞ্চলের পবিত্র শহর মাশহাদে এসে পৌঁছেছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রচারিত লাইভ ভিডিওতে দেখা যায়, সর্বোচ্চ নেতার কফিন বহনকারী মাহান এয়ারের (Mahan Air) একটি বোয়িং বিমান মাশহাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার পর রানওয়েতে ট্যাক্সিং করছে। প্রসঙ্গত, ঐতিহাসিক মাশহাদ শহরটিই হচ্ছে প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির নিজের জন্মশহর।

খামেনির শেষ বিদায়ের কর্মসূচির বিবরণস্থান ও ধর্মীয় আনুষ্ঠানিকতার তথ্য
ইরাকে শেষ শ্রদ্ধা ও ধর্মীয় আচারশিয়া সম্প্রদায়ের পবিত্র শহর কারবালা ও নাজাফ (লাখো মানুষের ঢল).
কফিন স্থানান্তরইরাকের নাজাফ বিমানবন্দর থেকে সরাসরি ইরানের মাশহাদে স্থানান্তর.
শোকের সময়কালমৃত্যুর পর গত ছয় দিন ধরে ইরান ও ইরাকজুড়ে চলছে রাষ্ট্রীয় শোক.
চূড়ান্ত দাফনের স্থানখামেনির অসিয়ত অনুযায়ী মাশহাদের পবিত্র ইমাম রেজার মাজারের পাশে.

এর আগে ইরাকের বিশ্বখ্যাত ও পবিত্র শহর নাজাফ এবং কারবালায় খামেনির প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানাতে শিয়া ধর্মীয় সুউচ্চ আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়, যেখানে ইরাকের লাখ লাখ সাধারণ মানুষ ও ধর্মপ্রাণ মুসলমান অংশ নেন। খামেনির মৃত্যুর পর গত ছয় দিন ধরে ইরান ও ইরাকজুড়ে একযোগে ব্যাপক শোকানুষ্ঠান ও শেষ শ্রদ্ধা নিবেদনের কর্মসূচি চলমান রয়েছে। ইরাকের নাজাফ থেকে ইরানের মাশহাদে কফিন স্থানান্তরের মধ্য দিয়ে এই রাষ্ট্রীয় শোক কর্মসূচির শেষ পর্ব সম্পন্ন হতে যাচ্ছে। খামেনির কার্যালয়ের প্রধান মোহাম্মদ মোহাম্মাদি গোলপায়েগানি আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, জীবদ্দশায় সর্বোচ্চ নেতা নিজে এক বিশেষ অসিয়তনামায় ইচ্ছা প্রকাশ করে গিয়েছিলেন যেন মৃত্যুর পর তাঁকে মাশহাদে অবস্থিত শিয়া সম্প্রদায়ের অষ্টম ইমাম, ইমাম রেজার (Imam Reza Shrine) পবিত্র মাজার শরীফের ঠিক সন্নিকটেই দাফন করা হয়।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত