আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি সুনির্দিষ্ট গণতান্ত্রিক ও সর্বজনীন কল্যাণ রাষ্ট্র বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রাজধানীর শেরে বাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। ওই অনুষ্ঠানে দেশে প্রথমবারের মতো ‘এসডিজি ভিলেজ পাইলট প্রোগ্রাম’-এর আনুষ্ঠানিক সূচনা ঘোষণা করেন এবং এর আওতায় নির্বাচিত তিনটি প্রান্তিক গ্রামের শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। নির্বাচিত গ্রাম তিনটি হলো—দিনাজপুরের বোচাগঞ্জ উপজেলার নাফানগর, খুলনার দাকোপ উপজেলার পানখালী এবং রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার মিতিংগাছড়ি।
বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, বিগত দেড় দশকেরও বেশি সময় ধরে চলা স্বৈরাচারী শাসনের ফলে দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতিসহ প্রায় প্রতিটি খাত চরমভাবে বিপর্যস্ত ও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকার এখন সেই ধ্বংসস্তূপ থেকে দেশ পুনর্গঠনের চ্যালেন্জ গ্রহণ করে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনের মতো বৃহৎ লক্ষ্য কোনো একক মন্ত্রণালয় বা বিভাগের পক্ষে বাস্তবায়ন সম্ভব নয়। রাষ্ট্রকে কাঙ্ক্ষিত কল্যাণমূলক জায়গায় পৌঁছে দিতে সরকারি-বেসরকারি খাতসহ সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সমন্বিত সহযোগিতা আহ্বান জানান তিনি।


















