ইংরেজি ও গণিত—এই প্রধান দুটি বিষয়ের দুর্বলতার কারণে সার্বিক পরীক্ষায় অকৃতকার্যের হার বাড়ে এবং পাসের হার কমে যায় বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান। সোমবার (১০ আগস্ট) সকালে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, সকল বোর্ডের ফলাফল পর্যালোচনায় দেখা গেছে যে, তাঁদের সময়ের পরীক্ষা থেকে শুরু করে বর্তমান সময় পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবেই এ দুটি বিষয়ে শিক্ষার্থীদের ফেলের প্রবণতা বেশি থাকে।
চলতি বছরের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, সারাদেশে ১১টি শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৬২.২৫ শতাংশ এবং মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। ২০২৫ সালের ফলাফলের তুলনায় এবার সার্বিক পাসের হার কমেছে ৬.২০ শতাংশ পয়েন্ট, যেখানে বিগত বছর পাসের হার ছিল ৬৮.৪৫ শতাংশ। একই সাথে এ বছর সর্বোচ্চ জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ২২ হাজার ৩৫৬ জন কমেছে, যা সার্বিক শিক্ষা ব্যবস্থার মূল বিষয়ভিত্তিক ঘাটতিগুলোকে চিহ্নিত করার তাগিদ নির্দেশ করে।


















