দীর্ঘ ধ্বংসাত্মক যুদ্ধের পর একটি ঐতিহাসিক শান্তিচুক্তির দ্বারপ্রান্তে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, তেহরান তাদের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম হস্তান্তরসহ প্রায় সব শর্তে রাজি হয়েছে এবং দ্বিতীয় দফার আলোচনার পর এই চুক্তি চূড়ান্ত হতে পারে। চুক্তি সইয়ের জন্য ট্রাম্প পাকিস্তানের ইসলামাবাদ সফরে যাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন, যা এই অঞ্চলের ভূ-রাজনীতিতে এক বড় পরিবর্তন আনতে পারে। তবে ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যে, চুক্তি সম্পন্ন না হলে যুদ্ধ আবারও শুরু হবে। বর্তমানে ইরানের বন্দরগুলোতে ১০ হাজার মার্কিন সেনা ও ১২টি যুদ্ধজাহাজের মাধ্যমে কঠোর অবরোধ বজায় রাখা হয়েছে।
অন্যদিকে, ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান স্পষ্ট করেছেন যে, ইরান পারমাণবিক অস্ত্র বা সন্ত্রাসবাদ চায় না, বরং মর্যাদার সাথে শান্তি চায়। তিনি এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় সহায়তার জন্য পাকিস্তানকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এদিকে, লেবাননে ইসরায়েলের সাথে আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয়েছে এবং এর প্রতি সম্মান জানিয়ে ইরান কৌশলগত ‘হরমুজ প্রণালি’ বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের জন্য সম্পূর্ণ উন্মুক্ত ঘোষণা করেছে। তবে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সাইদ খাতিবজাদেহ জানিয়েছেন, তারা কোনো ‘অস্থায়ী’ যুদ্ধবিরতি মানবেন না; লেবানন থেকে লোহিত সাগর পর্যন্ত পুরো অঞ্চলে স্থায়ী শান্তিই তাদের মূল লক্ষ্য। আন্তর্জাতিক সামুদ্রিক সংস্থা (IMO) জানিয়েছে, এই আন্তর্জাতিক জলপথে চলাচলের জন্য কোনো দেশের টোল আরোপ করার আইনি ভিত্তি নেই।



















