যানবাহন চলাচলের সময়সূচি ও নিষেধাজ্ঞা আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) অনুষ্ঠিতব্য ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ দেশজুড়ে যানবাহন চলাচলে বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, গতকাল মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে আগামী শুক্রবার মধ্যরাত পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে। এছাড়া আজ বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত মধ্যরাত ১২টা থেকে ভোটের দিন বৃহস্পতিবার মধ্যরাত ১২টা পর্যন্ত মোট ২৪ ঘণ্টার জন্য ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে। এই সময়ের মধ্যে অনুমোদিত স্টিকারবিহীন কোনো যানবাহন সড়কে চলাচল করতে পারবে না।
ব্যতিক্রম ও শিথিলযোগ্য যানবাহনসমূহ নিষেধাজ্ঞার আওতামুক্ত থাকবে জরুরি সেবায় নিয়োজিত এবং নির্দিষ্ট উদ্দেশ্য সম্পন্ন যানবাহনগুলো। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, এবং নির্বাচন কমিশনের অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের যানবাহন এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে। এছাড়া অ্যাম্বুলেন্স, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, গ্যাস, টেলিযোগাযোগ (বিটিআরসি অনুমোদিত) ও ডাক বিভাগের গাড়ি এবং সংবাদপত্র বহনকারী যানবাহন জরুরি সেবা হিসেবে চলাচল করতে পারবে। বিশেষ করে, আজ ও আগামীকাল বিমানযাত্রীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দরের গাড়ি চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। দূরপাল্লার বাসগুলোও এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।
প্রার্থী ও ভোটারদের জন্য বিশেষ সুবিধা নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী, প্রত্যেক প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী এবং তাঁর নির্বাচনী এজেন্ট রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট আকৃতির যানবাহন (কার, জিপ বা মাইক্রোবাস) ব্যবহার করতে পারবেন। এছাড়া সাধারণ ভোটারদের ভোটকেন্দ্রে যাতায়াতের সুবিধার্থে ব্যক্তিগত প্রাইভেট কার, সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং নিয়মিত রুটের পাবলিক বাস চলাচলের ওপর কোনো নিষেধাজ্ঞা রাখা হয়নি। এমনকি মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ভোটের দিন ভোটারদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে মেট্রোরেল স্বাভাবিকভাবে চলবে এবং প্রয়োজনে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনারকে স্থানীয় পরিস্থিতি বিবেচনায় এই নিয়মগুলো আরও শিথিল বা কড়াকড়ি করার ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে।


















