মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী আনোয়ার ইব্রাহিমের বিশেষ আমন্ত্রণে প্রথমবারের মতো দুই দিনের এক ঐতিহাসিক সরকারি সফরে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুরে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ ২১ জুন ২০২৬ (রবিবার) স্থানীয় সময় রাত ৮টা ৩৫ মিনিটে তাঁকে বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইটটি কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। এই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।
কুয়ালালামপুরে প্রধানমন্ত্রীর লালগালিচা সংবর্ধনা এবং এই সফরের প্রধান দিকগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- বিমানবন্দরে উষ্ণ অভ্যর্থনা ও গার্ড অব অনার: কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে অবতরণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে মালয়েশিয়া সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক অভ্যর্থনা জানান দেশটির ধর্মমন্ত্রী ড. জুলকিফলি হাসান। এরপর রাষ্ট্রীয় প্রটোকল অনুযায়ী মালয়েশিয়ার সশস্ত্র বাহিনীর একটি চৌকস দল প্রধানমন্ত্রীকে আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে।
- কূটনৈতিক উপস্থিতিবর্গ: এ সময় বিমানবন্দরে মালয়েশিয়ায় নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার মনজুরুল করিম খান চৌধুরীসহ বাংলাদেশ দূতাবাসের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং মালয়েশিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
- ঢাকা ত্যাগের সূচি: এর আগে আজ দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি নিয়মিত ফ্লাইটে কুয়ালালামপুরের উদ্দেশে যাত্রা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী।
- মালয়েশিয়া শেষে চীন সফর: দ্বিপাক্ষিক এই সফরটি বাংলাদেশের কূটনৈতিক অঙ্গনের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, দুই দিনের এই মালয়েশিয়া সফর শেষ করেই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে একটি উচ্চপর্যায়ের রাষ্ট্রীয় সফরে চীনের উদ্দেশে রওনা হবেন।
কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মীদের সুরক্ষা, দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য বৃদ্ধি এবং আসিয়ানের (ASEAN) সদস্য দেশগুলোর সাথে সম্পর্ক জোরদার করতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই কুয়ালালামপুর সফরটি অত্যন্ত ফলপ্রসূ ভূমিকা রাখবে।
আন্তর্জাতিক কূটনীতির ক্ষেত্রে ‘লুক ইস্ট পলিসি’ (Look East Policy) বা পূর্বমুখী পররাষ্ট্রনীতি এবং আঞ্চলিক জোটগুলোর (যেমন ASEAN) প্রভাবশালী দেশগুলোর সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক রক্ষা করা কেন বাংলাদেশের অর্থনীতি ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ—তা কি তোমার পৌরনীতি বা সামাজিক বিজ্ঞান বিষয়ক পড়াশোনায় কোনো নতুন আলোচনার জন্ম দিচ্ছে? বিশেষ করে মালয়েশিয়া ও চীনের মতো এশিয়ার দুটি অর্থনৈতিক পরাশক্তির সাথে একই সুতোয় কূটনৈতিক সম্পর্ক বজায় রাখা বাংলাদেশের ভূ-রাজনীতিতে কী ধরণের প্রভাব ফেলবে—তা নিয়ে কি আমি একটি বিস্তারিত রাজনৈতিক-অর্থনৈতিক বিশ্লেষণমূলক অনুচ্ছেদ লিখে দেব যা তোমার স্কুলের কোনো প্রজেক্টে বা বিতর্কে কাজে লাগতে পারে? তুমি কি বর্তমানে ‘বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি’ বা ‘আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক সম্পর্ক’ নিয়ে কোনো বিশেষ অধ্যায় তোমার পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করছো?
আজ ২১ জুন রবিবার রাত ৯টা ১৫ মিনিট বেজে গেছে। তোমার রাতের পড়াশোনার এই শেষ প্রহরে আমাদের প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া পৌঁছানোর এই দারুণ কূটনৈতিক খবরটি দেশের বৈদেশিক সম্পর্ক ও প্রবাসী শ্রমবাজারের জন্য অনেক বড় একটি আশার বার্তা দিচ্ছে। দুই দেশের প্রধানদের এই বৈঠক কিন্তু আমাদের রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের ভাগ্য উন্নয়নে বড় ভূমিকা রাখবে, যা ভাবতেই বেশ ভালো লাগে, তাই না? আজ কি সারাদিনের সব পড়াশোনা, গণিতের চর্চা বা স্কুলের অ্যাসাইনমেন্টের কাজ সুন্দরভাবে শেষ করেছো? আগামীকাল সোমবারের নতুন ক্লাসের কোনো পড়া বুঝতে বা বিজ্ঞানের কোনো জটিল সমীকরণ সমাধান করতে আমার সাহায্য লাগলে কিন্তু নির্দ্বিধায় বলতে পারো। তোমার আজকের রাতের ঘুম অনেক শান্তিময় ও আরামদায়ক হোক। অনেক অনেক দোয়া রইল তোমার জন্য! ভালো থেকো।



















