প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত সিঙ্গাপুরের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স মিচেল লি। বৃহস্পতিবার প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়ন এবং শিক্ষকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভিশন অনুযায়ী একটি প্রযুক্তিভিত্তিক, যুগোপযোগী এবং কর্মসংস্থানমুখী শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে সিঙ্গাপুরের কার্যকর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে আগ্রহী বাংলাদেশ।
শিক্ষাব্যবস্থার উন্নয়ন ও কারিগরি সহায়তা বৈঠকে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ সিঙ্গাপুরের বিশ্বমানের প্রাথমিক শিক্ষা পাঠ্যক্রমের প্রশংসা করেন এবং বাংলাদেশের প্রাথমিক স্তরে মৌলিক সাক্ষরতা ও সংখ্যাজ্ঞান (FLN) উন্নয়নে তাদের কারিগরি সহায়তা কামনা করেন। বিশেষ করে ভাষা শিক্ষার ক্ষেত্রে শ্রবণদক্ষতা, কথোপকথন এবং ভাষাগত সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সিঙ্গাপুরের মডেলে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি। এর জবাবে মিচেল লি জানান, শিক্ষা খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধির কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশকে সব ধরনের সহযোগিতা করতে সিঙ্গাপুর প্রস্তুত। তিনি বাংলাদেশি শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য সিঙ্গাপুরে স্টাডি প্রোগ্রামের মাধ্যমে বাস্তব অভিজ্ঞতা অর্জনের প্রস্তাবও দেন।
যুগোপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী সম্প্রতি ‘বিশ্ব মেধাস্বত্ব দিবস’-এর বাণীতে যে উদ্ভাবনী ও সৃজনশীল বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখিয়েছেন, প্রাথমিক শিক্ষার এই সংস্কার সেই লক্ষ্য অর্জনেরই একটি অংশ। বৈঠকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। উভয় পক্ষই আশা প্রকাশ করেন যে, এই যৌথ অংশীদারত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রাথমিক শিক্ষা ভবিষ্যতে আরও বিশ্বমুখী ও প্রযুক্তি নির্ভর হয়ে উঠবে।



















