বাঙালি’ হিসেবে অভিহিত করে মিয়ানমারের দেওয়া বক্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ। শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, ২০১৬-১৭ সালের জাতিগত নিধনযজ্ঞকে আড়াল করতে এবং রোহিঙ্গাদের ‘অবৈধ অভিবাসী’ হিসেবে প্রমাণের উদ্দেশ্যেই মিয়ানমার পরিকল্পিতভাবে এই পরিচয় বিকৃতি ঘটাচ্ছে। ঢাকা স্পষ্ট করেছে যে, রোহিঙ্গারা একটি স্বতন্ত্র জাতিগত গোষ্ঠী যারা শতাব্দী ধরে আরাকানে বসবাস করছে এবং ১৯৭৮ সালের দ্বিপক্ষীয় চুক্তিতেও তাদের ‘বার্মার বাসিন্দা’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছিল। মিয়ানমারের ১৯৮২ সালের নাগরিকত্ব আইনকে বৈষম্যমূলক আখ্যা দিয়ে বাংলাদেশ বলেছে, রোহিঙ্গাদের পদ্ধতিগতভাবে নাগরিকত্বহীন করা এবং ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে বানোয়াট তথ্য ছড়ানো আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে বিভ্রান্ত করার অপকৌশল মাত্র।



















