ইরানকে পারমাণবিক ও ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি থেকে বিরত রাখতে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান এখন মধ্যপ্রাচ্যের ১৪টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। ইরানের পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র হামলা এবং ওই অঞ্চলের মার্কিন ঘাঁটিগুলোতে ড্রোন আক্রমণের ফলে সৃষ্ট চরম নিরাপত্তা ঝুঁকির মুখে গত কয়েক দিনে ৪৩ হাজারেরও বেশি মার্কিন নাগরিক মধ্যপ্রাচ্য ছেড়ে স্বদেশে ফিরে গেছেন। বুধবার (১১ মার্চ ২০২৬) ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা বিবিসি মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্রের বরাত দিয়ে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।
পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট জানিয়েছেন, নাগরিকদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে, যার মাধ্যমে অন্তত ৩০ হাজার নাগরিককে সরাসরি সহায়তা দেওয়া হয়েছে। মার্কিন সরকার দুই ডজনেরও বেশি চার্টার্ড ফ্লাইট পরিচালনা করলেও দেখা গেছে যে, অনেক আমেরিকান বাণিজ্যিক ফ্লাইটে ফিরতেই বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেছেন। ফলে সরকারি চার্টার্ড ফ্লাইটগুলোতে গড়ে ৪০ শতাংশের কম যাত্রী ছিল। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি অত্যন্ত অস্থির থাকায় চার্টার্ড ফ্লাইট ও স্থলপথে সরিয়ে নেওয়ার কার্যক্রম এখনও অব্যাহত রেখেছে ওয়াশিংটন।
এদিকে, গত ১১ দিনের এই সংঘাত কেবল ইরান বা ইসরায়েলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই; বরং যেসব আরব দেশে মার্কিন ও ইসরায়েলি স্বার্থ সংশ্লিষ্ট স্থাপনা রয়েছে, সেখানেও ইরান আক্রমণ চালিয়ে যাচ্ছে। বাহরাইন, সংযুক্ত আরব আমিরাত এবং কুয়েতের মতো দেশগুলোতে ড্রোন হামলার পর ওই অঞ্চলে অবস্থানরত পশ্চিমা নাগরিকদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, যেকোনো মার্কিন নাগরিক চাইলে এখনও বিশেষ সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারেন।
সূত্র : বিবিসি।



















