চীন সামরিক প্রযুক্তি ও অস্ত্রশস্ত্রে ব্যাপক উন্নতি ঘটিয়ে ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রাধান্য কমিয়ে আনছে। মার্কিন গণমাধ্যম নিউজউইকের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অস্ট্রেলিয়ার লোই ইনস্টিটিউটের সাম্প্রতিক গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সালে চীনের সামরিক অগ্রগতির কারণে মার্কিন প্রাধান্য ২০১৭ সালের তুলনায় দুই-তৃতীয়াংশে নেমে আসবে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনের বিমান ও নৌ শক্তি, দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র, উন্নত নৌ প্ল্যাটফর্ম এবং অ্যান্টি-অ্যাক্সেস ও এরিয়া-অফ-ডিনায়াল সিস্টেমের উন্নয়ন মার্কিন হস্তক্ষেপকে আরও ব্যয়বহুল করে তুলবে, বিশেষ করে তাইওয়ান প্রণালীতে।
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র প্রতিরক্ষা ও সামরিক সম্পর্ক জোরদার করার জন্য আঞ্চলিক মিত্রদের সাথে যৌথ মহড়া ও উন্নত অস্ত্র বিক্রি বাড়িয়েছে। তবে বেইজিং এ ধরনের পদক্ষেপকে ‘অস্থিতিশীলতা’ হিসেবে দেখাচ্ছে।
লোই ইনস্টিটিউটের এশিয়া পাওয়ার ইনডেক্স অনুযায়ী ২০২৫ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক স্কোর ৮০.৪ পয়েন্টের সঙ্গে শীর্ষে থাকলেও চীন ৭৩.৭ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় এবং ভারত ৪০ পয়েন্ট নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে আছে। রাশিয়া, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়াও এ তালিকার শীর্ষ পাঁচের মধ্যে আছে।
চীনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, বেইজিং এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে শান্তি ও উন্নয়ন নিশ্চিত করতে কাজ করছে। তবে মার্কিন গোয়েন্দা সম্প্রদায়ের মতে, পিপলস লিবারেশন আর্মি ‘আধিপত্যকামী’ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলছে যা আঞ্চলিক সংকটে মার্কিন হস্তক্ষেপ চ্যালেঞ্জ করতে সক্ষম।
সূত্র : নিউজউইক।



















