কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন বিমানঘাঁটিতে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড কোরের (আইআরজিসি) ড্রোন ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার বিষয়টি আন্তর্জাতিক সূত্র ও উপগ্রহ চিত্রের মাধ্যমে নিশ্চিত করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যম ও স্যাটেলাইট ইমেজ পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, কুয়েতের আলি আল সালেম ও জর্ডানের মুওয়াফ্ফাক সালতি মার্কিন বিমানঘাঁটিতে এ হামলায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
হামলার মূল তথ্য ও ক্ষয়ক্ষতির বিবরণ:
- আলি আল সালেম বিমানঘাঁটি (কুয়েত): আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, মার্কিন সামরিক পদক্ষেপের জবাবে কুয়েতের এই ঘাঁটির দুটি ড্রোন হ্যাঙ্গার এবং সামরিক বিমান ও হেলিকপ্টারের জ্বালানি ডিপো লক্ষ্য করে সফল হামলা চালানো হয়েছে। সামরিক বিশ্লেষণকারী ‘মেনচওসিন্ট’-এর উপগ্রহ চিত্রে সেখানে অগ্নিকাণ্ড ও ধ্বংসাবশেষের প্রমাণ মিলেছে।
- মুওয়াফ্ফাক সালতি বিমানঘাঁটি (জর্ডান): প্রায় ১,০০০ কিলোমিটারের বেশি দূর থেকে ছোঁড়া ইরানি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলো নিখুঁত নিশানায় জর্ডানের এই ঘাঁটিতে আঘাত হানে। জুলাইয়ের শুরুতে চালু হওয়া নবনির্মিত অংশগুলোতে আঘাত হানার পাশাপাশি স্যাটেলাইট চিত্রে ঘাঁটিতে থাকা মার্কিন F-35 যুদ্ধবিমান ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আলামত পাওয়া গেছে।
- যুদ্ধবিমান ধ্বংসের দাবি: আইআরজিসি দাবি করেছে, তাদের হামলায় অন্তত ৩টি মার্কিন F-35 স্টিলথ যুদ্ধবিমান সম্পূর্ণ ধ্বংস এবং আরও বেশ কয়েকটি গুরুতর ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
- মার্কিন নীরবতা: স্যাটেলাইট থেকে পাওয়া ক্ষয়ক্ষতির স্পষ্ট ছবি প্রকাশ পেলেও যুক্তরাষ্ট্র বা সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বক্তব্য দেওয়া হয়নি। বিশ্লেষকরা মনে করিয়ে দিচ্ছেন যে, অতীতেও এমন সামরিক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র গোপন করার নীতি অনুসরণ করেছিল।


















