সোমবার , ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

সংস্কার প্রক্রিয়া নিয়ে দ্বিমত, আওয়ামী লীগ প্রশ্নে একমত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬ ৭:৪৬ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের শুরু থেকেই জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে ক্ষমতাসীন বিএনপি ও তাদের মিত্রদের সঙ্গে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্যের টানাপড়েন চলছে। এই ইস্যুতে উভয় পক্ষ পরস্পরের ওপর চাপ সৃষ্টিতে কৌশলী অবস্থান নিলেও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফেরার সুযোগ না দেওয়ার প্রশ্নে ঐকমত্য ধরে রাখার বার্তা দিচ্ছে সরকারি ও বিরোধী দলগুলো।

বৃহস্পতিবার শেষ হওয়া সংসদের তৃতীয় অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান গণতন্ত্রপন্থী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর মধ্যে বিভেদ তৈরি হলে তা পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তির পুনরুত্থানের পথ সুগম করতে পারে বলে সতর্ক করেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহিদদের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্র মেরামতের কাজ এগিয়ে নিতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ভিন্নমত থাকবে, তবে পতিত ফ্যাসিস্ট শক্তি যাতে আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

একই বার্তা বিরোধী দলের

সংসদ অধিবেশনের সমাপনী বক্তব্যে বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানও দেশকে অস্থিতিশীল করার অপচেষ্টা মোকাবিলায় রাজনৈতিক শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান।

তিনি অভিযোগ করেন, অতীতে অপরাধে জড়িত কিছু ব্যক্তি দেশ ছেড়ে বিদেশে, বিশেষ করে প্রতিবেশী দেশে আশ্রয় নিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছেন। তাদের নানা বক্তব্য ও কর্মকাণ্ড সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবেশ ঘোলাটে করার চেষ্টা করছে বলেও দাবি করেন তিনি।

আওয়ামী লীগের ঝটিকা মিছিল ঘিরে সক্রিয় রাজনীতি

সর্বশেষ শুক্রবার রাজধানীর গুলশান-১ এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা আওয়ামী লীগের একটি ঝটিকা মিছিলকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে তৎপরতা দেখা দিয়েছে। এর প্রতিবাদে বিএনপি, জামায়াত ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) পৃথকভাবে ঢাকায় মিছিল করেছে।

সরকারি ও বিরোধী দলের নেতাদের অনেকে মনে করছেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার ঘোষণার সঙ্গে গুলশানে আওয়ামী লীগের ওই মিছিলের একটি যোগসূত্র রয়েছে। এ নিয়ে দুই পক্ষের দায়িত্বশীল নেতাদের মধ্যে আলোচনাও হয়েছে বলে জানা গেছে।

বিএনপি ও ১১ দলীয় জোটের একাধিক নেতার ভাষ্য, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংস্কার প্রশ্নে মতপার্থক্য থাকলেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক তৎপরতার বিরুদ্ধে অবস্থান ধরে রাখতে ডিসেম্বরজুড়ে সরকারি ও বিরোধী দলগুলো পৃথকভাবে বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্বাচনি আসন ঢাকা-১৭ এলাকায় আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ঝটিকা মিছিলের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীও তৎপর হয়েছে। ওই ঘটনায় ইতোমধ্যে ৩২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় নিরাপত্তা ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, নিষিদ্ধ রাজনৈতিক শক্তি আবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার চেষ্টা করছে। ফ্যাসিবাদের পুনরুত্থান ঠেকাতে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁনও বলেন, দেশের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগকে আর মেনে নেওয়া হবে না।

জুলাই সনদ বাস্তবায়নেও মতপার্থক্য

অন্যদিকে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংশোধন বা সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি ও জামায়াতের নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের মধ্যে মতপার্থক্য স্পষ্ট হচ্ছে।

সংবিধান সংশোধনে গঠিত বিশেষ কমিটিতে বিরোধী দল থেকে সদস্যের নাম না দেওয়ার বিষয়টি এরই মধ্যে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির নেতৃত্ব বণ্টনেও প্রভাব ফেলেছে। ত্রয়োদশ সংসদের ৫০টি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হলেও সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতির পদ ছাড়া অন্য কোনো কমিটির সভাপতির পদ বিরোধী দলকে দেওয়া হয়নি। ওই কমিটির সভাপতি হয়েছেন বিরোধীদলীয় উপনেতা ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের।

সরকারি দলীয় সূত্রের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিরোধী দল সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটিতে সদস্যের নাম দিলে প্রয়োজনে সংসদীয় স্থায়ী কমিটিগুলো পুনর্গঠন করা হতে পারে।

সংবিধান সংশোধন নাকি সংস্কার?

গত ১৩ জুলাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে সভাপতি করে ১২ সদস্যের সংবিধান সংশোধন-সংক্রান্ত বিশেষ কমিটি গঠন করে জাতীয় সংসদ। বিরোধী দলকে ওই কমিটির জন্য পাঁচজনের নাম দিতে বলা হলেও তারা তা দেয়নি।

বিরোধী দলের অবস্থান হলো—শুধু সংবিধান সংশোধন নয়, জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার করতে হবে। এ কারণে তারা বিশেষ কমিটিও প্রত্যাখ্যান করেছে।

অন্যদিকে কমিটির সভাপতি সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের জন্য আগে সংবিধান সংশোধন প্রয়োজন। সংশোধনের মাধ্যমে সনদের বিষয়গুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার পরই এর বাস্তবায়ন এগিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ বিএনপির পক্ষ থেকে বারবারই বলা হয়েছে, স্বাক্ষরিত জুলাই সনদে যেসব বিষয়ে ঐকমত্য হয়েছে, সরকার সেগুলো অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করবে।

১৩ জুলাই কমিটি গঠনের পর গত ৪ আগস্ট এর প্রথম বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এখন পর্যন্ত সেটিই কমিটির একমাত্র বৈঠক। বিরোধী দল থেকে সদস্যের নাম পাওয়ার প্রত্যাশা থাকায় বিশেষ কমিটি বিষয়টি নিয়ে ধীরে এগোচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

সব মিলিয়ে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের পদ্ধতি ও সংবিধান সংস্কার নিয়ে সরকারি ও বিরোধী পক্ষের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক পুনরুত্থান ঠেকানোর প্রশ্নে দুই পক্ষের অবস্থানে আপাতত মিল রয়েছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

কুরবানির বর্জ্য ভালোভাবে অপসারণ হলো কিনা, ঘুরে দেখছেন প্রধানমন্ত্রী

ডিএনসিসি নির্ধারণ করবে এলাকাভিত্তিক বাড়িভাড়া

বগুড়াবাসীর স্বপ্নপূরণ: কাল উদ্বোধন হচ্ছে সিটি করপোরেশন

হবিগঞ্জে ছবি তোলাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৩০

দুটি রাজনৈতিক সমাবেশ: নাকাল ঢাকা, অসহনীয় যানজটে স্থবির জনজীবন

ট্রাম্পের বক্তব্য ভুলভাবে সম্পাদনার ঘটনায় বিবিসির ক্ষমা

বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্ত বৈঠকে শান্তি ও সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার

ডালিয়ান থেকে বেইজিং যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

জাতিসংঘে ইসরায়েল-ফিলিস্তিন সংকট সমাধানে দ্বিরাষ্ট্রভিত্তিক রূপরেখার পক্ষে ১৪২ দেশ

২০২৫ সালে সড়কে নিহত ৯ হাজারেরও বেশি মানুষ