শনিবার , ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

রাজশাহীতে আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রির অভিযোগ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৫, ২০২৬ ৮:৩৬ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষের মাথা গোঁজার ঠাঁই দিতে সরকারের নেওয়া আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর নিয়ে রাজশাহীর কয়েকটি এলাকায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। বরাদ্দ পাওয়া ব্যক্তিদের কেউ ঘরে থাকছেন না, আবার কেউ সরকারি ঘর অন্যের কাছে বিক্রি বা হস্তান্তর করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যারা বসবাস করছেন, তাদেরও নানা সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।

চারঘাট উপজেলার একটি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ২২ নম্বর ঘরটি জসমদ আলীর নামে বরাদ্দ দেওয়া হয়। তবে তিনি সেখানে বসবাস করেন না। অভিযোগ রয়েছে, ঘরটি আনজুরার কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি। এ লেনদেনে প্রকল্পের সভাপতি হাবিবুর রহমান মধ্যস্থতা করেছেন বলেও অভিযোগ উঠেছে। তবে হাবিবুর রহমান এ অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, জসমদ আলী সেখানে থাকেন না। হয়তো তাঁর কোনো আত্মীয় সেখানে থাকছেন। এ বিষয়ে তিনি আর কিছু বলতে পারবেন না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ভূমিহীনদের জন্য নির্মিত আশ্রয়ণ প্রকল্পে অনেক ক্ষেত্রে তুলনামূলকভাবে সচ্ছল ব্যক্তিরাও ঘর পেয়েছেন। আবার বরাদ্দ পাওয়া অনেক পরিবার সেখানে নিয়মিত বসবাস করে না। কেউ চাকরির কারণে অন্যত্র থাকেন, আবার কেউ ঘর অন্যের কাছে অর্থের বিনিময়ে হস্তান্তর করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাসকারীদের নানা ভোগান্তির কথাও উঠে এসেছে। অনেক ঘরে ফাটল ধরেছে, বৃষ্টির সময় ঘরের ভেতর পানি পড়ে। প্রকল্প এলাকায় পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় বৃষ্টির পানি জমে মশা-মাছির উপদ্রব বাড়ছে। পাশাপাশি মাদক কেনাবেচার অভিযোগও রয়েছে।

আবাসনের বাসিন্দা আবুল বাশার স্বপন বলেন, শুষ্ক মৌসুমে পানি না থাকলেও বৃষ্টির সময় পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা না থাকায় জলাবদ্ধতা তৈরি হয়। তিনি বলেন, সরকার ঘর দিলেও সেখানে জীবিকার পর্যাপ্ত সুযোগ নেই। এ কারণে অনেকে রাজশাহী বা অন্য এলাকায় চাকরি করেন এবং ছুটিতে বাড়িতে ফেরেন। ফলে অনেক ঘর দীর্ঘ সময় ফাঁকা পড়ে থাকে। কেউ কেউ আবার অর্থের বিনিময়ে অন্যদের থাকতে দিয়েছেন।

আরেক বাসিন্দা রবিউল ইসলাম বলেন, অনেকের জায়গাজমি থাকা সত্ত্বেও তারা আশ্রয়ণ প্রকল্পে বসবাস করছেন। আবার কেউ নিজের নামে ঘর বরাদ্দ নিয়ে সেখানে না থেকে অন্যকে থাকতে দিয়েছেন। তাঁর অভিযোগ, অনেক ঘরের অবস্থা এখন বেশ খারাপ। বৃষ্টির সময় চালা দিয়ে পানি পড়ে এবং বিভিন্ন স্থানে ঘরে ফাটল ও ভাঙন দেখা দিয়েছে।

আশ্রয়ণ প্রকল্পের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম বলেন, রাস্তা নির্মাণ ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। তবে সরকারি আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর বিক্রি বা হস্তান্তরের কোনো সুযোগ নেই। এমন ঘটনা ঘটলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরুরি নির্দেশনা

ইউএনএইচসিআরের নির্বাহী কমিটির ব্যুরো সভাপতি বাংলাদেশ

হাসিনার মৃত্যুদণ্ডে স্থিতিশীল দেশ: অস্থিরতার আশঙ্কা নেই

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ড. ইউনূসের ‘উষ্ণ ও গঠনমূলক’ ফোনালাপ

চটকদার অনলাইন ঋণে প্রতারণার ফাঁদে সাধারণ মানুষ

প্রতারণা-দখলবাজির অভিযোগে তৌহিদ আফ্রিদি ও তার বাবার বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ

পারমাণবিক স্থাপনায় যুক্তরাষ্ট্রের হামলা, জানাল ইরান

ট্রাম্পের চীন সফরের পর তাইওয়ানের কাছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের অস্ত্র বিক্রি স্থগিত করল যুক্তরাষ্ট্র

২৮ ডিসেম্বর জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, কেন্দ্রসচিবদের ২৪ নির্দেশনা

যুক্তরাষ্ট্রের বিপক্ষে পাল্টা শুল্ক আরোপের প্রস্তাব ভারতের