মঙ্গলবার , ৯ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

প্রথমবারের মতো ১২ পারমাণবিক অস্ত্র ‘মোতায়েন’ করলো ভারত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৯, ২০২৬ ২:১৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

দশক পুরোনো পারমাণবিক অস্ত্র নীতিতে এক উল্লেখযোগ্য ও কৌশলগত পরিবর্তন এনে ভারত প্রথমবারের মতো ১২টি পারমাণবিক ওয়ারহেড ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েন’ করেছে। বিশ্বের শীর্ষ অস্ত্র-নজরদারি সংস্থা স্টকহোম ইন্টারন্যাশনাল পিস রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (এসআইপিআরআই) সর্বশেষ বার্ষিক প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। এসআইপিআরআই-এর এই প্রতিবেদনটি নয়াদিল্লির কয়েক দশকের পুরনো সামরিক নীতি থেকে এক ব্যাপক বিচ্যুতির কথা প্রকাশ করে, যেখানে আগে পারমাণবিক ওয়ারহেড এবং উৎক্ষেপণ বা সরবরাহ ব্যবস্থাকে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে সংরক্ষণ করা হতো।

নীতিগত পরিবর্তন ও সামরিক প্রস্তুতির নতুন মাত্রা

এসআইপিআরআই-এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, ভারতের পারমাণবিক ইতিহাসে এবারই প্রথম দেশটির কোনো পারমাণবিক অস্ত্রভাণ্ডারকে কেবল মজুত বা সংরক্ষিত হিসেবে নয়, বরং সরাসরি ‘কার্যক্ষমভাবে মোতায়েনকৃত’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করা হয়েছে:

  • সরাসরি সংযুক্তি: নতুন করে মোতায়েন করা ১২টি ওয়ারহেডই এমন প্রথম উদাহরণ, যেখানে ভারত পারমাণবিক ওয়ারহেডকে সরাসরি ডেলিভারি সিস্টেম বা উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত করেছে অথবা সেগুলোকে সার্বক্ষণিক সক্রিয় সামরিক ঘাঁটিতে প্রস্তুত রেখেছে।
  • সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধি: প্রস্তুত অবস্থায় থাকা এই পারমাণবিক অস্ত্রগুলোকে ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো এবং নতুন পারমাণবিক সাবমেরিনে মোতায়েন করা হয়েছে, যা মূলত ভারতের সামরিক প্রস্তুতির মাত্রা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির বড় ইঙ্গিত দেয়।
  • ক্যানিস্টার প্রযুক্তির ব্যবহার: দীর্ঘদিন ধরে ধারণা করা হতো যে ভারত শান্তিকালীন সময়ে পারমাণবিক ওয়ারহেড ও উৎক্ষেপণ ব্যবস্থাকে আলাদা রাখে। তবে ক্ষেপণাস্ত্রকে ক্যানিস্টারে (সংরক্ষণ ও উৎক্ষেপণ পাত্র) দীর্ঘ মেয়াদে মজুত রাখা এবং সমুদ্রভিত্তিক প্রতিরোধমূলক টহল পরিচালনার দেশটির সাম্প্রতিক পদক্ষেপ প্রমাণ করে যে ভারত শান্তিকালেই কিছু ওয়ারহেড উৎক্ষেপণ ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত রাখার দিকে চূড়ান্তভাবে এগোচ্ছে।

ভারতের পরমাণু অস্ত্রের বর্তমান সংখ্যা ও ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’

এসআইপিআরআই-এর হিসাব অনুযায়ী, ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত ভারতের মোট পারমাণবিক অস্ত্রের সংখ্যা প্রায় ১৯০-এ পৌঁছেছে, যা আগের বছরের তুলনায় সামান্য বেশি। এসব আধুনিক অস্ত্র মূলত বিমান, স্থলভিত্তিক ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং সমুদ্রপৃষ্ঠের নিচে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রবাহী পারমাণবিক সাবমেরিন নিয়ে গঠিত। এই তিন মাধ্যমের সমন্বয়ে ভারতের ক্রমবর্ধমান ও শক্তিশালী ‘নিউক্লিয়ার ট্রায়াড’ (জল, স্থল ও আকাশপথে পরমাণু হামলার সক্ষমতা) গড়ে উঠেছে।

‘নো ফার্স্ট ইউজ’ বা প্রথমে ব্যবহার না করার নীতি

কৌশলগত অবস্থানে এত বড় পরিবর্তন আনলেও ভারত এখনও দাপ্তরিক ও আনুষ্ঠানিকভাবে তার ‘নো ফার্স্ট ইউজ’ (No First Use) নীতি কঠোরভাবে বজায় রেখেছে। এই আন্তর্জাতিক প্রতিশ্রুতির আওতায় নয়াদিল্লি পুনর্ব্যক্ত করেছে যে তারা কোনো সংঘাতে বা যুদ্ধে প্রথমে কখনোই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করবে না। শুধুমাত্র ভারতের মূল ভূখণ্ড বা বিশ্বের যেকোনো স্থানে অবস্থানরত ভারতীয় সশস্ত্র বাহিনীর ওপর প্রতিপক্ষ দ্বারা পারমাণবিক হামলা চালানো হলে, তার পাল্টা মারাত্মক জবাব হিসেবেই কেবল এই পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে। ভারত দীর্ঘদিন ধরে আন্তর্জাতিক মহলে বলে আসছে যে, তাদের এই পারমাণবিক সক্ষমতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্য কোনো দেশের সাথে অস্ত্র প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া নয়; বরং সম্ভাব্য প্রতিপক্ষকে (বিশেষ করে চীন ও পাকিস্তান) যেকোনো আগ্রাসন থেকে নিরুৎসাহিত করার জন্য একটি সীমিত কিন্তু অত্যন্ত কার্যকর প্রতিরোধক্ষমতা (Credible Minimum Deterrence) বজায় রাখা।

সূত্র: এনডিটিভি

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

দিল্লিকে নোট ভারবাল পাঠিয়ে হাসিনা–কামালকে ফেরত আনার উদ্যোগ

মিসরকে হারানোর পর সাইবার হামলার শিকার আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন

আফগানিস্তানে তালেবান শাসনের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিল রাশিয়া

‘সন্ত্রাসী রাষ্ট্র’ প্রমাণে নতুন নীলনকশা

সাদিক কায়েমের ফের তীব্র মন্তব্য: শেখ হাসিনার শাসনকে ‘ফ্যাসিবাদী’ আখ্যা

অন্তর্বর্তী সরকারের নীতি কৌশলে দ্রুত কমছে মূল্যস্ফীতি

সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করলে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়া সম্ভব : প্রধানমন্ত্রী

অনেকেই আমাদের স্বাধীনতা পছন্দ করে না: প্রধান উপদেষ্টা

হেলিকপ্টার ভূপাতিত করেছে ইরান, প্রতিশোধের হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের

নিউইয়র্ক সিটিতে আজ অনুষ্ঠিত হচ্ছে মেয়র নির্বাচন