বৃহস্পতিবার , ২৬ জুন ২০২৫ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

চোরাই পণ্যের আগ্রাসনে সিলেটের বাজার বিপর্যস্ত

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ২৬, ২০২৫ ৪:৫৬ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

সিলেট সীমান্তে চোরাচালান এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) সর্বাত্মক প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। নিরাপত্তা কার্যক্রম এবং নজরদারি বাড়ানো সত্ত্বেও, প্রায় প্রতিদিনই কোটি টাকার চোরাই পণ্যের চালান জব্দ হচ্ছে, যা প্রমাণ করে এই অবৈধ ব্যবসা এখনো অপ্রতিরোধ্য। বিজিবি সিলেট সদর দপ্তরের আওতাধীন ৪৮ ও ১৯ ব্যাটালিয়নের তথ্যমতে, গত ১৮ মাসে প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ চোরাই পণ্যের কারণে সিলেটের স্থানীয় বাজার সয়লাব হয়ে যাচ্ছে, যার সরাসরি শিকার হচ্ছেন স্থানীয় উদ্যোক্তা ও বৈধ আমদানিকারকরা। ব্যবসায়ী নেতারা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন যে, চোরাই পণ্যের অনৈতিক প্রতিযোগিতার কারণে বৈধ ব্যবসায়ীরা পথে বসার উপক্রম হচ্ছেন।

সিলেট জেলার তিন দিকেই ভারত সীমান্ত অবস্থিত, যার অধিকাংশ অঞ্চল আসাম ও মেঘালয় রাজ্যের দুর্গম পাহাড়ি এলাকা। এই ভৌগোলিক সুবিধা চোরাকারবারিদের কাছে চোরাচালানের জন্য আদর্শ ক্ষেত্র তৈরি করেছে। বিজিবি চোরাচালান প্রতিরোধে দিনের পাশাপাশি রাত্রিকালীন টহলও বাড়িয়েছে, তবে চোরাকারবারিরা থেমে নেই। চোরাই পণ্যে উচ্চ মুনাফা থাকায় কোটি কোটি টাকার চালান ধরা পড়ার পরও তারা নিরাশ হচ্ছে না। একসময় সিলেট সীমান্ত দিয়ে প্রধানত গরু-মহিষ ও চিনি আসলেও, গত প্রায় দুই বছর ধরে চোরাকারবারিরা এখন ভারতীয় কাপড় ও কসমেটিক্স চোরাচালানে ঝুঁকেছে, যেখানে লাভ আরও বেশি।

চোরাচালানের পদ্ধতি সম্পর্কে জানা যায়, প্রথমে চোরাই পণ্য সীমান্তবর্তী বিভিন্ন স্থানে মজুত করা হয় এবং এরপর সুযোগ বুঝে সেগুলো সিলেট শহরের অভ্যন্তরে আনা হয়। সম্প্রতি কালিঘাটে সেনাবাহিনী ও বিজিবির একটি যৌথ অভিযানে দুটি গুদাম থেকে কয়েক কোটি টাকার ভারতীয় কাপড়, কসমেটিক্সসহ বিভিন্ন ধরনের পণ্য জব্দ করা হয়েছে। সর্বশেষ গত মঙ্গলবার জৈন্তাপুরের হরিপুরে একটি ট্রাক থেকে প্রায় সাড়ে ৩ কোটি টাকার ভারতীয় কাপড় ও কসমেটিক্স জব্দ করা হয়, যা বিজিবি ও সেনাবাহিনীর সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফল। বিজিবির হিসাব অনুযায়ী, গত দেড় বছরে সিলেটে মোট প্রায় ৪০০ কোটি টাকার ভারতীয় পণ্য জব্দ করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২৪ সালে বিজিবি সিলেট সেক্টর একাই ২২০ কোটি ৬৫ লাখ ৫৩ হাজার ৮৮৫ টাকার পণ্য জব্দ করে, এবং চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে প্রায় ২০০ কোটি টাকার চোরাইপণ্য জব্দ হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজিবি সিলেট সেক্টরের কমান্ডার কর্নেল মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম চৌধুরী।

বিজিবি ৪৮ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. নাজমুল হক নিশ্চিত করেছেন যে, চোরাচালান রোধে তাদের অভিযানিক কার্যক্রম ও গোয়েন্দা তৎপরতা পূর্ণোদ্যমে চলছে, যা নিয়মিত বিপুল পরিমাণ চোরাই পণ্য জব্দের কারণ হচ্ছে। অন্যদিকে, বিজিবি ১৯ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. জুবায়ের আনোয়ার গুরুত্ব আরোপ করেছেন যে, চোরাচালান দমনে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতা একান্ত প্রয়োজন। এজন্য তাদের সচেতন করতে আগামী মাসে ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে একটি বিশেষ কর্মসূচি গ্রহণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য আবারও উন্মুক্ত হলো মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার

সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকাল

খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় পূর্ণ সহযোগিতা করবে সরকার: প্রেসসচিব

পশ্চিমবঙ্গে ভোট গণনা শুরু, নজর সবার দৃষ্টি ফলাফলে

রামিসা হত্যা মামলার রায়: আসামিদের ফাঁসির আদেশে বাবার সন্তুষ্টি

ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে দেশে আর নির্বাচন হবে না’: মির্জা আব্বাস

জুলাই সনদ বাস্তবায়নে জটিলতা বাড়ছে

বেতন বৃদ্ধির মাধ্যমে সরকারি খাতে দুর্নীতি হ্রাসের আশা অর্থমন্ত্রীর

আমাদের দায়িত্ব দেন: সারজিস আলম