গাজায় ইসরায়েলি বাহিনীর স্কুলে বোমাবর্ষণে শিশু, রেড ক্রসের কর্মী ও ইনফ্লুয়েন্সারসহ অন্তত ১৯ জন নিহত হয়েছেন। এই ঘটনার পর যুদ্ধ বন্ধে ইউরোপীয় এবং আরব দেশগুলোর পক্ষ থেকে জোরদার আহ্বান জানানো হয়েছে।
এদিকে, ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীরা ইসরায়েলের বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার দাবি করলেও, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে তারা সেটি প্রতিহত করেছে।
পরিসংখ্যান ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধ শুরুর পর থেকে অন্তত ৫৩ হাজার ৯৩৯ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১ লাখ ২২ হাজার ৭৯৭ জন আহত হয়েছেন। তবে গাজার সরকারি মিডিয়া অফিস বলছে, নিহতের প্রকৃত সংখ্যা ৬১ হাজার ৭০০ ছাড়িয়ে গেছে, কারণ বহু মানুষ এখনো ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকা পড়ে আছেন।
অন্যদিকে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলায় ইসরায়েলে ১ হাজার ১৩৯ জন নিহত হয়েছিলেন এবং ২০০ জনের বেশি ব্যক্তিকে জিম্মি করা হয়েছিল।
কূটনৈতিক তৎপরতা ও স্পেনের অবস্থান
এই পরিস্থিতিতে স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদে ২০টি ইউরোপীয় ও আরব দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের অংশগ্রহণে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হচ্ছে। স্পেন ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ইসরায়েলের মধ্যকার চুক্তি স্থগিতের আহ্বান জানিয়েছে এবং ফিলিস্তিন-ইসরায়েল দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের জন্য জোরালো কূটনৈতিক চাপ তৈরি করছে। স্পেন দৃঢ়ভাবে বলেছে যে, ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি এখন বিবেচনা করার সময় এসেছে।



















