প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের স্বাবলম্বী করা ও সমাজের মূলধারায় একীভূত করার অংশ হিসেবে তিনজন শারীরিক ও দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির হাতে সরাসরি সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই, ২০২৬) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে দিনের নিয়মিত প্রশাসনিক কর্মসূচির শুরুতেই প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে এই নিয়োগপত্রগুলো হস্তান্তর করেন।
নিয়োগপ্রাপ্ত ব্যক্তিবর্গ, তাঁদের অদম্য লড়াই ও পদবীসমূহ:
- নীলা খাতুন (সিরাজগঞ্জ): জন্ম থেকেই দুই হাত না থাকলেও পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করা নীলা খাতুনকে রাজধানীর মিরপুরে অবস্থিত ‘জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন’-এ শিক্ষিকা পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
- আয়শা আক্তার (গাইবান্ধা): দুই হাত না থাকা সত্ত্বেও পা দিয়ে লিখে স্নাতকোত্তর শেষ করা আয়শা আক্তারকে গাইবান্ধার ‘বিয়াম ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ’-এ ক্লাস সুপারভাইজার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী যখন নিয়োগপত্র তুলে দেন, তখন তিনি মুখ দিয়ে সেটি গ্রহণ করেন।
- মো. হাসমত আলী (নড়াইল): দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মো. হাসমত আলীকে সমাজসেবা অধিদপ্তরের অধীনে ‘ইউনিয়ন সমাজকর্মী’ পদে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
উক্ত নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন পুতুল, সমাজকল্যাণ সচিব ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ মোহাম্মদ মাহবুব উপস্থিত ছিলেন।
পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ প্রতিবন্ধী কল্যাণ সমিতির প্রতিষ্ঠাতা আবদুস সাত্তার দুলাল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সরকারের এই সংবেদনশীল ও ইতিবাচক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান।


















