জীবন রক্ষাকারী ওষুধের লাগামহীন দাম ক্রেতাদের বিপাকে ফেলেছে। গত দেড় বছরে কোনো কোনো ওষুধের দাম দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কার্যকর তদারকির অভাবে কোম্পানি ও ফার্মেসি পর্যায়ে চলছে চরম স্বেচ্ছাচারিতা।
এদিকে জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় ওষুধের দাম সরকার নির্ধারণ করবে বলে রায় দিয়েছেন হাই কোর্ট। আদালত বলেছেন, যথাযথ কর্তৃপক্ষকে ওষুধের মূল্য নির্ধারণ করে তা গেজেট আকারে প্রকাশ করতে হবে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কাঁচামালের দাম বৃদ্ধি, ডলার সংকট, গ্যাস-বিদ্যুতের ব্যয়বৃদ্ধি এবং ওষুধ কোম্পানির আগ্রাসী মার্কেটিংয়ের কারণে দাম বেড়েছে। এক বছরেই প্রকারভেদে ২০ থেকে ৬৬ শতাংশ পর্যন্ত ওষুধের দাম বাড়ানো হয়েছে।
স্বাস্থ্য অর্থনীতি ইউনিটের তথ্যমতে, দেশের মোট স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রায় ৬৯ শতাংশই ব্যক্তির পকেট থেকে যায়, যার ৬৪ শতাংশ খরচ হয় ওষুধ কেনায়। ফলে কোটি মানুষ চিকিৎসা খরচ মেটাতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ছে এবং প্রতিবছর লাখো মানুষ দারিদ্র্যের নিচে নেমে যাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, ওষুধ বাজারে স্বচ্ছতা ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ না থাকলে জনগণের মৌলিক চিকিৎসা অধিকার আরও সংকটে পড়বে।


















