দেশে চলমান জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য নতুন কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আজ রবিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) সচিবালয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, সশরীর ও অনলাইন—মিশ্র পদ্ধতিতে ক্লাস হবে কি না, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্তটি আগামী মন্ত্রিসভার বৈঠকেই নেওয়া হবে।
শিক্ষামন্ত্রীর বক্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপগুলোর মূল সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:
১. চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের সময়সূচি
সাধারণত মন্ত্রিসভার সাপ্তাহিক বৈঠক প্রতি বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হয়। সেই হিসেবে আগামী ৯ এপ্রিল মন্ত্রিসভার বৈঠকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিদ্যুৎ সাশ্রয়ী পরিকল্পনাটি উপস্থাপিত হবে। মন্ত্রিসভা অনুমোদনের পর মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানাবে।
২. অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক
চূড়ান্ত প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভায় পাঠানোর আগে শিক্ষা মন্ত্রণালয় বিভিন্ন অংশীজনদের (Stakeholders) সঙ্গে বৈঠক করবে। শিক্ষক, অভিভাবক এবং শিক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই একটি বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা তৈরি করা হবে যাতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার ক্ষতি না হয়।
৩. সম্ভাব্য কর্মপরিকল্পনা
গত বৃহস্পতিবারের মন্ত্রিসভার বৈঠকে প্রাথমিক আলোচনার ভিত্তিতে যে বিষয়গুলো প্রস্তাব আকারে আসতে পারে:
- হাইব্রিড মডেল: সপ্তাহে কয়েক দিন সশরীর এবং কয়েক দিন অনলাইনে ক্লাসের ব্যবস্থা।
- সময়সূচি পরিবর্তন: দিনের আলোর সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে ক্লাস শুরুর সময় এগিয়ে আনা।
- এলাকাভিত্তিক রেশনিং: যেসব এলাকায় বিদ্যুতের ঘাটতি বেশি, সেখানে বিশেষ সূচি প্রণয়ন।
৪. মন্ত্রীর আশ্বস্তকরণ
শিক্ষামন্ত্রী জানিয়েছেন, সরকারের মূল লক্ষ্য হলো বিদ্যুৎ সাশ্রয় করার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমকে সচল রাখা। এর মাঝে কোনো বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান না দেওয়ার জন্য তিনি শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন।
উল্লেখ্য যে, এর আগে আজ সকালেই শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে আলাদা নির্দেশনার কথা থাকলেও, নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের আলোচনার পর এখন তা আগামী বৃহস্পতিবার পর্যন্ত পিছিয়ে গেল।


















