ভোজনরসিকদের প্রিয় ‘ডরি ফিশ ফ্রাই’ আসলে স্বাস্থ্যসম্মত সামুদ্রিক মাছ নয়। ঢাকা প্রতিদিনের অনুসন্ধানে দেখা গেছে, বাজারে বিক্রি হওয়া ডরি ফিশ মূলত পুকুরের পাঙাশ মাছকে বিশেষ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে রাসায়নিক মিশিয়ে ‘ডরি’ নাম দিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে।
কারওয়ান বাজারে সরেজমিন দেখা যায়, বড় মাছের মাথা, কাঁটা ও চামড়া আলাদা করে স্তূপে রাখা হয়। পাঙাশের মাংসকে রঙ, গন্ধ ও স্বাদ পরিবর্তনের জন্য রাসায়নিক ব্যবহার করা হয়। এভাবে প্রক্রিয়াকৃত মাছ রাজধানীর গুলশান, বনানী, মহাখালী ও ধানমন্ডির রেস্টুরেন্টে পৌঁছে।
কিছু ব্যবসায়ী দাবি করেন, তারা কেবল পোষা প্রাণীর খাবারের জন্য মাছ বিক্রি করেন। তবে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে দেখা যায়, রেস্টুরেন্টেও একই মাছ ডরি ফিশ ফ্রাই নামে পরিবেশিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, রাসায়নিক মিশ্রিত মাছ দীর্ঘমেয়াদে ত্বকের অ্যালার্জি, লিভার ও কিডনির সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে।
আসল ‘ডরি ফিশ’ মূলত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার, বিশেষ করে ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মিষ্টি জলের ক্যাটফিশ। এটি দ্রুত বড় হয়, উৎপাদন খরচ কম এবং কাঁটামুক্ত হওয়ায় শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে জনপ্রিয়। তবে ঢাকার বাজারে বিক্রি হওয়া ডরি ফিশের বড় অংশ আসলে পাঙাশের মাইমিং।


















