বৃহস্পতিবার , ৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ইরানে মার্কিন হামলায় ১৮ নিহত, বিয়ের অনুষ্ঠানে নিহত ৪

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৩, ২০২৬ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক সামরিক হামলায় বেসামরিক হতাহতের ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে চালানো মার্কিন হামলায় দেশটিতে ১৮ জন নিহত ও ১০৮ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছেন ইরানের স্বাস্থ্যমন্ত্রী। নিহতদের মধ্যে চারজন বিয়ের অনুষ্ঠানে ছিলেন বলে জানিয়েছে ইরানি রেড ক্রিসেন্ট।

রেড ক্রিসেন্টের তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির উপকূলের কাছে একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলায় চারজন নিহত এবং ৬৭ জন আহত হয়েছেন। হামলার ঘটনায় ওই এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নতুন করে সংঘাত তীব্র হওয়ায় পুরো মধ্যপ্রাচ্যজুড়েই উদ্বেগ বাড়ছে।

এদিকে ইরান দাবি করেছে, বাহরাইন, জর্ডান, কুয়েত ও ইরাকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা হিসেবে চিহ্নিত বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোরেও দেশটির দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন ছোড়া হয়। তবে দেশটির বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সেগুলো প্রতিহত করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

এর আগে জুলাইয়ে সংঘাতের সর্বশেষ দফা শেষ হওয়ার পর কয়েক সপ্তাহ ধরে বড় ধরনের সামরিক তৎপরতা তুলনামূলকভাবে কমে এসেছিল। একই সময়ে শান্তি আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা হলেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়নি। এর মধ্যেই মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আবারও সামরিক শক্তি ব্যবহারের হুমকি দিয়েছেন।

তবে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরে এই যুদ্ধ নিয়ে ব্যাপক জনসমর্থন নেই বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। সংঘাতের প্রভাবে দেশটিতে পেট্রোলসহ বিভিন্ন জ্বালানির দামও বেড়েছে।

নির্বাচন সামনে রেখে সতর্ক যুক্তরাষ্ট্র

নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচন সামনে রেখে ট্রাম্প প্রশাসনের কয়েকজন ঘনিষ্ঠ শীর্ষ সহযোগী যুদ্ধের বিস্তার ঠেকাতে কাজ করছেন বলে জানা গেছে। সংশ্লিষ্ট চার ব্যক্তির বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্ভাব্য নির্বাচনী ক্ষতির আশঙ্কায় প্রশাসনের কর্মকর্তারা সংঘাতের বিষয়ে সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন।

তবে আগামী ৩ নভেম্বরের নির্বাচন শেষ হওয়ার পর সামরিক অভিযান আরও জোরদার করার বিষয়টি বিবেচনায় নেওয়া হতে পারে বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

অন্যদিকে ব্যাপক সামরিক ও অর্থনৈতিক ক্ষয়ক্ষতির মধ্যেও ইরান নিজেদের অবস্থান থেকে সরে আসেনি।

বেসামরিক হতাহতে জাতিসংঘের উদ্বেগ

ইরানে বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস। বিশেষ করে বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার খবরকে গুরুত্ব দিয়ে তিনি অবিলম্বে সামরিক অভিযান বন্ধের আহ্বান জানিয়েছেন বলে জানিয়েছেন তার মুখপাত্র স্টেফান দুজারিক।

দুজারিক বলেন, বেসামরিক মানুষের ওপর সব ধরনের হামলার নিন্দা জানিয়েছেন জাতিসংঘ মহাসচিব। আন্তর্জাতিক মানবিক আইন অনুযায়ী সংঘাতে জড়িত সব পক্ষকে নিজেদের দায়িত্ব পালন করতে হবে। এর মধ্যে সামরিক ও বেসামরিক লক্ষ্যবস্তুর মধ্যে পার্থক্য বজায় রাখা, আনুপাতিকতা এবং সতর্কতার নীতি মেনে চলার বিষয়টিও রয়েছে।

স্বাধীন ইরানি মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্টস নিউজ এজেন্সির (এইচআরএনএ) হিসাবে, ৭ এপ্রিল পর্যন্ত ইরানে মোট ৩ হাজার ৬৩৬ জন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১ হাজার ৭০১ জন বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র জানিয়েছে, চলমান যুদ্ধে দেশটির ১৮ জন সামরিক সদস্য নিহত এবং ৭৫০ জনের বেশি আহত হয়েছেন।

হামলা নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবি

মার্কিন সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ডের মুখপাত্র ক্যাপ্টেন টিম হকিন্স জানিয়েছেন, ইরানি রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হতাহতের প্রতিবেদন সম্পর্কে তারা অবগত। তবে তার দাবি, ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ড কোরের (আইআরজিসি) বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে মার্কিন বাহিনী কখনো বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে হামলা চালায় না।

ইরানি রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির প্রকাশ করা একটি ভিডিওতে একটি ভবনের পাশে ছড়িয়ে থাকা ধ্বংসাবশেষ এবং ভবনের ছাদে বড় একটি গর্ত দেখা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত ভবনের আশপাশে রেড ক্রিসেন্টের পোশাক পরা কয়েকজনকেও দেখা যায়। সেখানে একটি বিদ্যুৎ বা যোগাযোগ টাওয়ার মাটিতে পড়ে থাকতে দেখা গেছে।

রয়টার্স স্যাটেলাইট চিত্র বিশ্লেষণ করে ঘটনাস্থলের অবস্থান যাচাই করেছে। ওই চিত্র অনুযায়ী, পড়ে থাকা টাওয়ারটি ক্ষতিগ্রস্ত ভবন থেকে প্রায় ১৩৬ মিটার দূরে ছিল।

বিয়ের অনুষ্ঠানে হামলার ঘটনাটি ইরানের মিনাব শহরের একটি স্কুলে ভয়াবহ বিস্ফোরণের ঘটনাকেও সামনে এনেছে। যুদ্ধ শুরুর প্রথম দিনে একটি মেয়েদের স্কুলে চালানো ওই হামলায় ১৬০ জন নিহত হন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন শঙ্কা

ইরানের পরমাণু কর্মসূচি বন্ধ করা, হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের মতো বিদেশে সক্রিয় সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রতি তেহরানের সমর্থন বন্ধ করা এবং ইরানের জনগণকে সরকার উৎখাতে উৎসাহিত করাকে যুদ্ধের অন্যতম কারণ হিসেবে উল্লেখ করেছেন ট্রাম্প।

অন্যদিকে মার্কিন হামলার জবাবে ইরান হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী তেলবাহী জাহাজগুলোকে ইরানের অনুমতি ছাড়া চলাচল করলে হুমকি দেওয়ার কথা জানিয়েছে। এর প্রভাবে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথে জাহাজ চলাচল উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

যুদ্ধের আগে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পরিবাহিত হতো। ফলে সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে শুধু মধ্যপ্রাচ্য নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার ও অর্থনীতিতেও এর বড় ধরনের প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সূত্র : রয়টার্স।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম

খুনিদের ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ভারতীয় হাইকমিশন বন্ধ থাকবে: সারজিস

সাবেক এসপি আসাদুজ্জামানসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা বরখাস্ত

৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়াদের নিয়ে সিদ্ধান্ত কবে, জানাল মন্ত্রণালয়

বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাংবাদিকদের শুভেচ্ছা বিনিময়

ইরানের পানির নিচ থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার হুমকি : মার্কিন শিবিরে আতঙ্ক

রাবি শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা, মহাসড়ক অবরোধ

হাসিনার মামলার রায় কেন্দ্র করে ট্রাইব্যুনালে সেনা মোতায়েনের অনুরোধ

বিতর্কিত নির্বাচনের তদন্তে কমিটি গঠনের নির্দেশ দিলেন প্রধান উপদেষ্টা

এক্সিলারেটের টার্মিনাল চালু, বাড়ল এলএনজি সরবরাহ