শুক্রবার , ২১ আগস্ট ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

যানজট নিয়ন্ত্রণে ঢাকায় এবার ড্রোন নজরদারি, আসছে ভিডিও মামলা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
আগস্ট ২১, ২০২৬ ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রাজধানীর যানজট নিয়ন্ত্রণ ও সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে এআই ক্যামেরার পর এবার ড্রোন সার্ভিলেন্স চালুর উদ্যোগ নিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। পরীক্ষামূলকভাবে একটি ড্রোন দিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও যানজটপ্রবণ এলাকায় রিয়েল টাইম তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. আনিছুর রহমান জানান, ফ্লাইওভার ও এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়েতেও অনেক সময় যানজট তৈরি হয়, যার কারণ দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব হয় না। ড্রোনের মাধ্যমে এসব এলাকার তাৎক্ষণিক পরিস্থিতি জানা গেলে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হবে।

এএনপিআর যুক্ত হলে হবে ভিডিও মামলা

ভবিষ্যতে ড্রোনের সঙ্গে অটোমেটেড নম্বর প্লেট রিকগনিশন (এএনপিআর) প্রযুক্তি যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এতে ট্রাফিক আইন ভঙ্গকারী গাড়ির নম্বর শনাক্ত করে ভিডিও প্রমাণের ভিত্তিতে মামলা দেওয়া সম্ভব হবে।

তবে আপাতত স্বয়ংক্রিয়ভাবে মামলা দেওয়ার ব্যবস্থা চালু হচ্ছে না। ড্রোনের ধারণ করা ফুটেজ প্রথমে বিশ্লেষণ করে এরপর মামলা দেওয়ার কথা জানিয়েছে ডিএমপি। এতে ভুল বা অন্যায়ভাবে মামলা হওয়ার ঝুঁকি কমানো যাবে বলে মনে করছে কর্তৃপক্ষ।

ড্রোনে ভয়েস বা শব্দ ব্যবস্থাও থাকবে। ফলে কোনো গাড়ি যানজট সৃষ্টি করলে সরাসরি মাইকিং করে চালককে সরে যেতে নির্দেশ দেওয়া যাবে।

আপাতত চলছে পরীক্ষামূলক কার্যক্রম

একটি প্রতিষ্ঠান পরীক্ষামূলকভাবে ডিএমপিকে একটি ড্রোন দিয়েছে। সেটি নিয়ে বর্তমানে পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো, ইন্টারনেট ও সার্ভার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা গেলে দ্রুত মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম শুরু করার আশা করছে পুলিশ।

ড্রোন পরিচালনার জন্য পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণও শুরু হয়েছে। প্রথম ধাপে তেজগাঁও বিভাগের একটি দল প্রশিক্ষণ নিয়েছে। পরবর্তী ধাপে উত্তরা বিভাগের সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথা রয়েছে।

বাসের বিশৃঙ্খল চলাচল বড় সমস্যা

ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের মতে, ঢাকার যানজটের অন্যতম কারণ নির্দিষ্ট বাসস্টপে না থেমে যত্রতত্র যাত্রী ওঠানামা করানো। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা মালিককে দেওয়ার চাপ থাকায় বাসগুলোর মধ্যে যাত্রী পাওয়ার প্রতিযোগিতা তৈরি হয়। এতে তারা নির্ধারিত স্টপেজের বাইরে দাঁড়িয়ে পেছনের যান চলাচল আটকে দেয়।

এ সমস্যা সমাধানে ই-টিকিটিং ও বাস রুট রেশনালাইজেশন কার্যকর করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন ট্রাফিক কর্মকর্তারা।

১৫টি সিগন্যাল ইতোমধ্যে এআইয়ের আওতায়

ডিএমপি ইতোমধ্যে শাহবাগ থেকে শুরু করে ১৪টি ট্রাফিক সিগন্যাল এবং লেক রোডের একটি সিগন্যাল—মোট ১৫টি সিগন্যাল এআই প্রযুক্তির আওতায় এনেছে। এর কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে।

ট্রাফিক বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, প্রযুক্তির মূল লক্ষ্য বেশি মামলা করা নয়; বরং মানুষকে সড়ক আইন মেনে চলতে অভ্যস্ত করা। ড্রোন ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও পরীক্ষার সময় কোনো নেতিবাচক দিক ধরা পড়লে সেটি চালু না করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ