মঙ্গলবার , ৩০ জুন ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

ভারতীয় ভূখণ্ডে ঢুকে পড়েছে চীনা সেনাবাহিনী, দখলে নিয়েছে বিস্তৃত এলাকা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৩০, ২০২৬ ১২:০১ অপরাহ্ণ

Spread the love

ভারতের অরুণাচল প্রদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত সংলগ্ন আপার সুবানসিরি জেলায় চীনা সামরিক বাহিনীর (PLA) ধারাবাহিক অনুপ্রবেশ নিয়ে তীব্র উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্থানীয় ‘নহ্’ উপজাতি সম্প্রদায়। তাদের দাবি, গত ছয় বছরে চীনা পিপলস লিবারেশন আর্মি তাদের ঐতিহ্যবাহী চারণভূমি, বন্য শিকার অঞ্চল এবং কৃষিজমির একটি বড় অংশ সম্পূর্ণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নিয়েছে। ভারতীয় শীর্ষ সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়া এবং আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সম্প্রতি আপার সুবানসিরি জেলার ডেপুটি কমিশনারের কাছে জমা দেওয়া এক জরুরি স্মারকলিপিতে ‘নহ্ ওয়েলফেয়ার সোসাইটি’ (NWS)-এর সভাপতি কেরু চাদের এই চাঞ্চল্যকর ও সংবেদনশীল অভিযোগ তোলেন।

পূর্বপুরুষদের ঐতিহ্যবাহী ভূমি হারানোর শঙ্কা

স্মারকলিপিতে নহ্ ওয়েলফেয়ার সোসাইটির সভাপতি কেরু চাদের উল্লেখ করেন, “আমাদের পূর্বপুরুষদের যেসব জমিতে আমরা কয়েক বছর আগেও অবাধে যাতায়াত করতাম, বনের ফলমূল সংগ্রহ করতাম এবং গবাদি পশু চরাতাতাম—সেসব শিকার ও চারণভূমি এখন সরাসরি চীনা সেনার দখলে চলে গেছে। আমরা দিন দিন আমাদের নিজেদের মাতৃভূমি হারাচ্ছি।” সংগঠনটির দাবি অনুযায়ী, ২০২০ সাল পর্যন্ত যেসব এলাকা স্থানীয় উপজাতিদের ঐতিহ্যগত নিয়ন্ত্রণে ছিল, সেগুলো এখন চীনা সেনারা নিজেদের কবজায় নিয়েছে। মূলত গত ১০ থেকে ১৫ বছর ধরে তাকসিং সীমান্ত এলাকায় বেইজিং তাদের অবকাঠামোগত ও সামরিক তৎপরতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি করেছে।

চীনা নিয়ন্ত্রণে চলে যাওয়া ৫টি কৌশলগত এলাকা

নহ্ সম্প্রদায়ের দেওয়া তথ্যমতে, আপার সুবানসিরির তাকসিং রাজস্ব সার্কেলের অধীনে থাকা অন্তত পাঁচটি কৌশলগত ও পবিত্র স্থানে চীন তাদের নতুন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছে। অনুপ্রবেশের শিকার প্রধান এলাকাগুলো হলো:

  • আসাফিলা অঞ্চলের ওইং
  • চুজারতা অঞ্চলের পানিয়ার
  • মারনাফে অঞ্চলের মারপান
  • পোত্রাং লেক (স্থানীয় পবিত্র তীর্থভূমি)
  • তিনদিংতাং

স্থানীয়দের দাবি, এই এলাকাগুলো তাকসিং সদরের অত্যন্ত কাছাকাছি অবস্থিত এবং ভারতীয় সীমানার বেশ ভেতরে ঢুকে চীনা বাহিনী ইতোমধ্যে রাস্তাঘাট ও স্থায়ী সামরিক ক্যাম্প (Military Outposts) তৈরি করে ফেলেছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনীর সক্ষমতা ও প্রশাসনের তদন্তের তাগিদ

সীমান্তে মোতায়েন থাকা ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করে এনডব্লিউএস সভাপতি বলেন, “আমরা আমাদের সেনাবাহিনীকে সন্দেহ করি না। তারা দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সীমান্ত পাহারা দিচ্ছেন। কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে চীনা পিএলএর আগ্রাসনের গতি ও উদ্দেশ্য এতটাই ভয়াবহ যে, কেবল বর্তমান প্রচেষ্টা বা পেট্রোলিং দিয়ে তা ঠেকানো সম্ভব হচ্ছে না।” বিষয়টিকে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে অত্যন্ত সংবেদনশীল হিসেবে দেখছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা। ওই এলাকার নাচোর বিধায়ক নাকাপ নালো বলেন, যেহেতু এটি একটি স্পর্শকাতর জাতীয় নিরাপত্তার বিষয়, তাই স্থানীয়দের অভিযোগগুলোর সত্যতা ও ভৌগোলিক বাস্তবতা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে দ্রুত সরকারি তদন্ত ও ড্রোন যাচাইকরণ প্রয়োজন। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে আপার সুবানসিরির ডেপুটি কমিশনার গাম্বো তাসো বা অরুণাচল প্রদেশ সরকারের কোনো শীর্ষ কর্মকর্তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্য এখনো পাওয়া যায়নি।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

শেষ ওভারে রুদ্ধশ্বাস জয়, সিরিজ নিশ্চিত বাংলাদেশের

আজ দলীয় নেতাদের সঙ্গে বসছেন প্রধানমন্ত্রী

একনেক সভায় ৯,৩৩৩ কোটি টাকার ১০টি প্রকল্প অনুমোদন

কাকরাইলে জাপা কার্যালয়ে হামলা-অগ্নিসংযোগ, সংঘর্ষে উত্তেজনা

থালাপতি বিজয়ের জনসভায় পদদলিত হয়ে নিহত ৩৯, মামলা টিভিকের নেতাদের বিরুদ্ধে

রাঙামাটিতে ইউপিডিএফের আস্তানায় সেনা অভিযান, অস্ত্র-গোলাবারুদ উদ্ধার

ভারতীয় ঢলে তিস্তার পানি বিপদসীমার ওপরে

বাণিজ্য সহযোগিতা জোরদারে ঢাকায় পাকিস্তানের বাণিজ্যমন্ত্রী

গণভোট ও সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ১৬ সংস্থার সঙ্গে ইসির বৈঠক আজ

জাতীয় নির্বাচন বিলম্বিত করার ‘দৃশ্যপট’ তৈরি হচ্ছে