সোমবার , ৮ জুন ২০২৬ | ৪ঠা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

১৪০ দেশে রপ্তানি হচ্ছে বাংলাদেশের ওষুধ: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুন ৮, ২০২৬ ১২:৫৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যাল খাত বিশ্ব বাজারে ক্রমশ অত্যন্ত শক্ত অবস্থান তৈরি করছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন. বর্তমানে দেশের উৎপাদিত ওষুধ বিশ্বের ১৪০টিরও বেশি দেশে নিয়মিত রপ্তানি হচ্ছে, যা বাংলাদেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য খাতের সক্ষমতার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি. সোমবার সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য জানান. বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ফার্মাসিউটিক্যালস ইন্ডাস্ট্রিজ (বিএপিআই) কর্তৃক ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার সুবিধার্থে এক লাখ ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড (আইভি স্যালাইন) হস্তান্তর উপলক্ষে এই বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়. স্বাস্থ্যমন্ত্রী দৃঢ়ভাবে উল্লেখ করেন যে, স্থানীয়ভাবে ভ্যাকসিন বা টিকা উৎপাদনের সক্ষমতা অর্জন করতে পারলে বিশ্ব বাজারে বাংলাদেশের ওষুধ রপ্তানির পরিসর আগামীতে আরও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে.

অতীত স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘাটতি ও ডেঙ্গুর বর্তমান মজুত পরিস্থিতি

স্বাস্থ্য খাতের অতীত চ্যালেঞ্জ এবং বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলায় গৃহিত পদক্ষেপগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

  • অতীতের সীমাবদ্ধতা: বিগত সরকারের সময় দেশের স্বাস্থ্য সরঞ্জাম ও ভ্যাকসিন উৎপাদন এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় পর্যাপ্ত অগ্রগতি সাধিত হয়নি. এমনকি ভেন্টিলেটর ও সিরিঞ্জের মতো অত্যন্ত জরুরি ও জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা উপকরণেরও তীব্র ঘাটতি ছিল. তবে পরবর্তীতে দেশের বেসরকারি খাতের সময়োচিত সহযোগিতায় সেসব স্বাস্থ্য সংকট সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে.
  • স্যালাইনের পর্যাপ্ত মজুত: আসন্ন ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বেগবান করতে বিএপিআই অনুদান হিসেবে এক লাখ ইউনিট আইভি স্যালাইন দিয়েছে. বর্তমানে সরকারের কেন্দ্রীয় স্টোরে এক লাখ স্যালাইন সম্পূর্ণ মজুত রয়েছে.
  • তৃণমূল পর্যায়ের প্রস্তুতি: কেন্দ্রীয় মজুতের পাশাপাশি দেশের উপজেলা পর্যায়ে আরও ২০ থেকে ২৫ হাজার ইউনিট স্যালাইন মজুত রাখা হয়েছে. তবে সামনে যদি ডেঙ্গুর প্রকোপ ও প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়ে, তবে অতিরিক্ত সরবরাহ নিশ্চিত করার সব ধরনের আগাম প্রস্তুতিও সরকারের রয়েছে.

আদ-দ্বীন হাসপাতালকে শোকজ ও স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর বক্তব্য

রাজধানীর আদ-দ্বীন হাসপাতালে সাম্প্রতিক শিশুমৃত্যুর অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে শোকজের জবাব দেওয়ার জন্য আরও দু’দিন সময় বাড়ানো হয়েছে. এই নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তারা সন্তোষজনক জবাব দিতে ব্যর্থ হলে নিয়মানুযায়ী পরবর্তী কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে.

অনুষ্ঠানে উপস্থিত স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত বলেন, ডেঙ্গুর মূল মৌসুম সামনে রেখে এবার সরকারের পক্ষ থেকে ব্যাপক আগাম প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে এবং আক্রান্তের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনতে বিভিন্ন মাঠপর্যায়ের কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে. ডেঙ্গু আক্রান্তদের দ্রুততম সময়ে সঠিক চিকিৎসা নিশ্চিত করতে দেশের স্বাস্থ্য খাত সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে (স্টেকহোল্ডার) একসঙ্গে কাজ করতে হবে. ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণসহ দেশের সামগ্রিক স্বাস্থ্য খাতের টেকসই উন্নয়নে একটি সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও প্রতিমন্ত্রী আশ্বস্ত করেন.

সর্বশেষ - অপরাধ