রবিবার , ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

বাংলাদেশের সঙ্গে আলোচনার উদ্যোগ ভারতকেই নিতে হবে: বিবিসির প্রতিবেদন

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৫, ২০২৬ ৯:৪২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

কূটনৈতিক সমীকরণ ও বর্তমান বাস্তবতা ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির ভূমিধস জয় দক্ষিণ এশিয়ার ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণে এক নতুন মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছে। যদিও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিবাচক অভিনন্দন বার্তা পাঠিয়েছেন, তবুও দীর্ঘদিনের আস্থার সংকট এখনো দুই দেশের সম্পর্কের মধ্যে ছায়া ফেলছে। সীমান্ত হত্যা, তিস্তা পানিবণ্টন চুক্তি এবং ভিসা সেবার সীমাবদ্ধতার মতো অমীমাংসিত ইস্যুগুলো ঢাকার জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি করেছে। অন্যদিকে, ভারতের কিছু রাজনৈতিক মহলের উসকানিমূলক মন্তব্য ও দীর্ঘদিনের একপক্ষীয় সমর্থনের নীতি এই দূরত্বকে আরও জটিল করে তুলেছে। তবে ভৌগোলিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশ ও ভারত একে অপরের জন্য অপরিহার্য—এই সত্যটি অস্বীকার করার উপায় নেই।

উদ্যোগ কার হওয়া উচিত? কূটনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্পর্কের এই বরফ গলাতে বড় প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতকেই প্রথম কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। ওপি জিন্দাল গ্লোবাল ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক শ্রীরাধা দত্ত মনে করেন, একটি শক্তিশালী নির্বাচনের পর বাংলাদেশের নতুন নেতৃত্বের সঙ্গে দিল্লির সরাসরি সংলাপে বসা উচিত। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, বিএনপি অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করবে। সম্পর্কের এই নতুন অধ্যায়ে দিল্লি কতটা বাস্তববাদী হতে পারে, তার ওপরই নির্ভর করছে দক্ষিণ এশিয়ার স্থিতিশীলতা।

নতুন স্বাভাবিকতা ও রাজনৈতিক পরিপক্বতা লন্ডনের এসওএএস ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক অবিনাশ পালিওয়াল তারেক রহমানের সাম্প্রতিক ইতিবাচক মনোভাবকে ‘রাজনৈতিক পরিপক্বতা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, তারেক রহমান অতীতকে ভবিষ্যতের বাধা হতে দেননি, যা দিল্লির জন্য একটি সুযোগ তৈরি করেছে। তবে এই ‘নতুন স্বাভাবিকতা’ (New Normal) তখনই টেকসই হবে যখন ঢাকা তার অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে ভারতবিরোধী মনোভাব নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে এবং নয়াদিল্লি তাদের উত্তেজনাপূর্ণ বা উসকানিমূলক বয়ান কমিয়ে আনবে। দুই পক্ষ যদি এই সুযোগ ব্যবহারে ব্যর্থ হয়, তবে সম্পর্কটি কেবল ‘নিয়ন্ত্রিত প্রতিদ্বন্দ্বিতা’র (Controlled Rivalry) মধ্যেই সীমাবদ্ধ থেকে যাবে।


ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্কের ৩টি প্রধান চ্যালেঞ্জ:

  1. আস্থার ঘাটতি: পুরোনো রাজনৈতিক তিক্ততা কাটিয়ে নতুন সম্পর্কের ভিত তৈরি করা।
  2. জনগণের সেন্টিমেন্ট: ভিসা জটিলতা নিরসন এবং সীমান্ত হত্যা বন্ধের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন।
  3. ভারসাম্যপূর্ণ কূটনীতি: সার্বভৌমত্ব রক্ষা করে পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অর্থনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি।

সূত্র: বিবিসি

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

জলবায়ু মোকাবিলায় তারেক রহমানের পরিকল্পনাকে স্বাগত জানিয়েছেন বিদিশা এরশাদ

লোডশেডিং ব্যবস্থাপনা এবং দিন গোনা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই: বিদ্যুৎমন্ত্রী

খাগড়াছড়িতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ১৪৪ ধারা জারি

দেশে হামের প্রাদুর্ভাব আরও তীব্র: ২৪ ঘণ্টায় ১২ জনের মৃত্যু

ভেনিজুয়েলায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গভীর শোক

নিউইয়র্ক সফর শেষে দেশের পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ইরান-মার্কিন চুক্তিতে জটিলতা: ট্রাম্পের সম্ভাব্য অনীহা

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকী আগামীকাল

অন্তর্বর্তী সরকারের ২১টি অধ্যাদেশ সংসদে পাস, বাতিল ৩টি

যমুনায় আলেম ও এতিমদের নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ইফতার