ময়মনসিংহের গফরগাঁও উপজেলায় এক গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার করার এক লোমহর্ষক ও বর্বরোচিত অভিযোগ উঠেছে. এ ঘটনায় ঘরে থাকা তাঁর স্বামীকে দড়ি দিয়ে বেঁধে রেখে মারধর করারও অভিযোগ পাওয়া গেছে. মঙ্গলবার (১৬ জুন) দিবাগত রাতে উপজেলার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কুরচাই গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটে.
ঘটনা ও পারিবারিক বিবরণ
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায় যে, ভুক্তভোগী গৃহবধূ তাঁর মায়ের বাড়িতে বসবাস করছিলেন. একই বাড়ির একটি পৃথক কক্ষে তিনি তাঁর স্বামী ও তিন বছর বয়সী সন্তানকে নিয়ে থাকতেন.
- দুর্বৃত্তদের প্রবেশ ও স্বামীকে মারধর: রাত আনুমানিক ১টার দিকে ৭-৮ জনের একদল মুখোশধারী দুর্বৃত্ত হঠাৎ ঘরে প্রবেশ করে এবং স্বামীকে বেঁধে রেখে মারধর শুরু করে.
- গৃহবধূকে অপহরণ ও ধর্ষণ: এরপর দুর্বৃত্তরা গৃহবধূকে জোরপূর্বক ঘর থেকে তুলে নিয়ে যায়. বাড়ি থেকে প্রায় দেড়শ মিটার দূরে নিয়ে তাঁকে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করা হয় বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে. পরবর্তীতে স্বজনরা তাঁকে সংজ্ঞাহীন বা জখম অবস্থায় উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে আসেন.
থানায় অভিযোগ ও পুলিশি পদক্ষেপ
এই অমানবিক ঘটনার পর বুধবার (১৭ জুন) ভুক্তভোগী গৃহবধূর মা বাদী হয়ে পাগলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন. ঘটনার সুষ্ঠু বিচার দাবি করে গৃহবধূর মা বলেন, “আমার মেয়ের সঙ্গে যারা এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, আমি তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।”
আইনি পদক্ষেপের বিষয়ে পাগলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমিনুল ইসলাম জানান যে, ভুক্তভোগী গৃহবধূকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে. পুরো বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে তদন্ত করে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন.


















