প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রশাসনের অন্যান্য স্তরের মতো পুলিশ বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়েও বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিশেষ করে বর্তমান পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের স্বেচ্ছায় দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন এবং ডিএমপি কমিশনার পদে নতুন মুখ নিয়ে সচিবালয় ও পুলিশ সদরদপ্তরে ব্যাপক আলোচনা চলছে। যদিও আইজিপি বাহারুল আলমের চুক্তির মেয়াদ আরও প্রায় নয় মাস বাকি এবং ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলীর মেয়াদ ২১ নভেম্বর পর্যন্ত, তবুও নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় রদবদলের বিষয়টি এখন সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
আইজিপি হিসেবে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকায় বেশ কয়েকজন অভিজ্ঞ ও চৌকস কর্মকর্তার নাম শোনা যাচ্ছে। এদের মধ্যে হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি দেলোয়ার হোসেন মিঞা, এপিবিএনের অতিরিক্ত আইজিপি আলী হোসেন ফকির এবং সিআইডি প্রধান মো. ছিবগাত উল্লাহর নাম শীর্ষ আলোচনায় রয়েছে। এছাড়া র্যাবের বর্তমান মহাপরিচালক এ কে এম শহিদুর রহমান, যাঁর চুক্তির মেয়াদ ১৫ মার্চ শেষ হবে, তিনিও এই পদের জন্য একজন শক্ত পদপ্রার্থী। অন্যদিকে, অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের মধ্য থেকে মতিউর রহমান শেখ এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার আনসার উদ্দিন খান পাঠানের নামও বিকল্প হিসেবে আলোচিত হচ্ছে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার পদেও পরিবর্তনের সম্ভাবনা জোরালো। বর্তমান কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলীর মেয়াদ পুনরায় বৃদ্ধির আলোচনার পাশাপাশি এই পদের জন্য চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশ (সিএমপি) কমিশনার হাসিব আজিজের নাম বেশ জোরেশোরে শোনা যাচ্ছে। এছাড়া অতিরিক্ত আইজিপি মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদ এবং র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ফারুক আহমেদের নামও এই গুরুত্বপূর্ণ পদের আলোচনায় রয়েছে। পুলিশ সদরদপ্তর সূত্রমতে, আগামী ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যেই এই রদবদল প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হতে পারে।



















