শনিবার , ১৭ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

৭০ লাখ ছাত্রীকে বৃত্তি দিতে ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের উদ্যোগ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ১৭, ২০২৬ ৬:০৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

দেশের ৭০ লাখ ছাত্রীকে বৃত্তির আওতায় আনার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। নারী শিক্ষার প্রসার, শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়া রোধ এবং শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে এ কর্মসূচির জন্য ৪ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের কথা জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত জাতীয় সংসদের স্থায়ী কমিটি। একই সঙ্গে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার মেধাবী শিক্ষার্থীকে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠকের কার্যবিবরণীতে এসব তথ্য উঠে এসেছে। বৈঠকে শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি, শিক্ষকদের অবসরকালীন পাওনা পরিশোধ এবং দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা পরিকল্পনাসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা ও সুপারিশ করা হয়।

মেধাবীদের ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ

শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়াতে ২০২৬ সালে গোল্ডেন জিপিএ অর্জনকারী প্রায় ৪০ হাজার শিক্ষার্থীকে একটি করে ল্যাপটপ দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ বাড়ানো এবং আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে তাদের সম্পৃক্ত করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে ল্যাপটপ বিতরণের সময়সূচি, যোগ্যতার বিস্তারিত শর্ত এবং বিতরণপ্রক্রিয়া সম্পর্কে পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

শিক্ষার গুণগত মানে গুরুত্ব

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মো. সেলিম ভূঁইয়া বলেন, শিক্ষাক্ষেত্রে শুধু পাসের হার বাড়ানোর প্রতিযোগিতার পরিবর্তে প্রকৃত শিখনফল ও শিক্ষার গুণগত মান নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ করে তুলতে নিয়মিত মূল্যায়নব্যবস্থা চালুর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। এ ক্ষেত্রে বার্ষিক মূল্যায়নের পাশাপাশি তিন বা ছয় মাস অন্তর শিক্ষার্থীদের শিখনফল যাচাইয়ের প্রস্তাব রয়েছে।

কমিটির পরবর্তী বৈঠকগুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়নে আরও সুনির্দিষ্ট সুপারিশ করা হবে। পাশাপাশি শিক্ষা খাতের জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ প্রণয়নের পরিকল্পনার কথাও জানানো হয়েছে।

শিক্ষা খাতে প্রস্তাবিত বাজেট ৫৭ হাজার কোটি টাকার বেশি

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সিনিয়র সচিব আবদুল খালেকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এ বিভাগের জন্য ৫৭ হাজার ৩০১ কোটি ৬৮ লাখ টাকার প্রস্তাবিত বাজেট ধরা হয়েছে। আগের সংশোধিত বাজেটের তুলনায় এ বরাদ্দ ৪২ দশমিক ৭ শতাংশ বেশি।

শিক্ষার মানোন্নয়ন, প্রযুক্তিগত দক্ষতা বৃদ্ধি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য সুযোগ সম্প্রসারণকে শিক্ষা খাতের গুরুত্বপূর্ণ অগ্রাধিকার হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের পাওনা পরিশোধে বিশেষ সহায়তা

অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধার অর্থ পরিশোধে বিদ্যমান সংকট কমানোর বিষয়েও বৈঠকে আলোচনা হয়। কার্যবিবরণীতে এ খাতে ২ হাজার কোটি টাকার বিশেষ আর্থিক সহায়তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের গড়ে পাঁচ লাখ টাকা করে দেওয়ার বিষয়টিও এতে রয়েছে।

এ ছাড়া ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) ও আইবাস++ পদ্ধতিতে প্রায় ৭০ হাজার অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক-কর্মচারীর বকেয়া পাওনা সরাসরি ব্যাংক হিসাবে পাঠানোর কার্যক্রম শুরুর তথ্য জানানো হয়েছে।

বৈঠকে এমপিওভুক্তির সব শর্ত পূরণ করা নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং দীর্ঘদিন বিনা বেতনে কাজ করা প্রবীণ শিক্ষকদের দ্রুত এমপিওভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। কমিটির সদস্য মোছা. তাহসিনা রুশদী ও মো. মুজিবুর রহমান এ বিষয়ে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রস্তাব করেন।

পাশাপাশি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক জটিলতা ও ফাইল নিষ্পত্তিতে দীর্ঘসূত্রতা কমিয়ে শিক্ষকদের জন্য আরও সহায়ক পরিবেশ তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

দীর্ঘমেয়াদি জাতীয় শিক্ষা পরিকল্পনার প্রস্তাব

বৈঠকে মালয়েশিয়ার মডেলের আদলে দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী জাতীয় শিক্ষা-ভাবনা প্রণয়নের প্রস্তাবও উঠে আসে। কমিটির সদস্যদের মতে, সরকার বা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের পরিবর্তন হলেও শিক্ষানীতি, পাঠ্যক্রম ও পাঠ্যপুস্তকের মৌলিক কাঠামো যেন বারবার পরিবর্তিত না হয়, তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

কমিটির সদস্য রেজা কিবরিয়া বলেন, গণিত ও বিজ্ঞানের মতো মৌলিক বিষয়ে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীরা যেন আন্তর্জাতিক সূচকে পিছিয়ে না পড়ে, সে জন্য সুনির্দিষ্ট ও বছরভিত্তিক আন্তর্জাতিক মানদণ্ড চালু করা জরুরি।

সব মিলিয়ে, ছাত্রীদের বৃত্তি, মেধাবী শিক্ষার্থীদের ল্যাপটপ দেওয়া, শিক্ষকদের অবসরকালীন পাওনা পরিশোধ এবং মূল্যায়নব্যবস্থার উন্নয়ন—এসব উদ্যোগ বাস্তবায়িত হলে শিক্ষা খাতে নতুন সুযোগ তৈরি হতে পারে। তবে বৃত্তির যোগ্যতা, আবেদনপদ্ধতি, অর্থ বিতরণের সময়সূচি এবং ল্যাপটপ বিতরণের নিয়ম সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার অপেক্ষা করতে হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

মাজার জিয়ারতের মাধ্যমে তারেক রহমানের নির্বাচনী প্রচারণা শুরু

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে কানাডীয় সংসদীয় প্রতিনিধিদলের বৈঠক

বজরঙ্গি মুন্নি হর্ষালি ফিরছেন ৬৫ বছরের সুপারস্টারের সঙ্গে

ট্রেনের ছাদে ভ্রমণ ঠেকাতে কমলাপুরে কঠোর নিরাপত্তা

ঢাকার পাঠানো চিঠিতে সাড়া দেয়নি ভারত

প্রতিরক্ষা ভেদ করে ইরানের ড্রোন হামলায় ‘বিস্মিত’ ইসরায়েল

ইসরায়েলের পারমাণবিক সক্ষমতা নিয়ে স্বচ্ছতা দাবি মার্কিন কংগ্রেস সদস্যদের

সুষ্ঠু নির্বাচনে রাজনৈতিক দলের ভূমিকাই সবচেয়ে বড়: সিইসি

সড়ক বাতির বিদ্যুৎ সাশ্রয় শিখতে ফ্রান্সে যেতে চান প্রশাসক, প্রধানমন্ত্রীর ‘না’

ইরান-ইসরায়েল উত্তেজনার জেরে পাকিস্তানের ইরান সীমান্ত বন্ধ