রবিবার , ২৫ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

সংবিধানের নেশা থেকে বের হয়ে আসতে হবে: জামায়াত আমির

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২৫, ২০২৬ ৪:২৪ অপরাহ্ণ

Spread the love

সংবিধান মেনে চললে ২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি কোনো নির্বাচন হওয়ার কথা ছিল না বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। তাঁর প্রশ্ন, ওই নির্বাচন না হলে বর্তমান সরকার ক্ষমতায় এল কীভাবে, আর বিরোধী দলই বা হলো কীভাবে? তিনি বলেন, সংবিধান শুধু ফ্যাসিবাদের জন্ম দেয়নি, বরং ফ্যাসিবাদকে স্থায়ী রূপ দেওয়ারও চেষ্টা করেছে। তাই সংবিধানের এই নেশা থেকে বের হয়ে আসতে হবে।

রোববার (২৫ অক্টোবর) দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের বর্ষপূর্তি’ উপলক্ষে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় উদ্যোগে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।

শফিকুর রহমান বলেন, এখন সংবিধান খোঁজা হচ্ছে কেন? সাড়ে ১৫ বছর সংবিধান মেনেই সরকারের অনুমতি নিয়ে সভা-সমাবেশ ও মিছিল করতে হয়েছে। কিন্তু তাতে ফ্যাসিবাদকে তাড়ানো সম্ভব হয়নি। জামায়াতও পারেনি, অন্যরাও পারেনি—এটাই বাস্তবতা।

২০২৪ সালের নির্বাচনের সময় বিএনপির অনেক জ্যেষ্ঠ নেতা কারাগারে ছিলেন উল্লেখ করে জামায়াত আমির বলেন, কারাগারে তাঁদের সঙ্গে আলোচনার সময় বলা হয়েছিল, ২০৪১ সালের আগে শেখ হাসিনাকে বিদায় করা সম্ভব নয়। তখন তিনি বলেছিলেন, এত দিন অপেক্ষা করতে হবে না; তাঁর উত্তরসূরিরা সেই পতাকা বহন করবেন। এ জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে হবে। আল্লাহর ইচ্ছায় পরিবর্তন সম্ভব কি না, সে প্রশ্নও তিনি তুলেছিলেন বলে জানান।

তিনি আরও বলেন, ক্ষমতায় গিয়ে নেতারা অতীতের সবকিছু ভুলে গেছেন। সংবিধান মেনেই আন্দোলন, মিছিল ও সভা হয়েছে। অথচ সরকার জামায়াতকে কোনো অনুমতি দেয়নি। সাড়ে ১৫ বছরে দলটি মাত্র দুটি সভা করার সুযোগ পেয়েছিল, সেগুলোরও অনুমতি দেওয়া হয়নি বলে দাবি করেন তিনি। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবরের সমাবেশে অনুমতি না পেলেও তাঁরা সভা করার ঘোষণা দিয়েছিলেন বলেও জানান।

জুলাই জাতীয় সনদ প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, যেসব বিষয়ে পরিবর্তন প্রয়োজন, সেগুলোতে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়ে রাখা হয়েছে। অথচ যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট দেওয়া হয়নি, সেগুলোও এখন এড়িয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জুলাই জাতীয় সনদ স্বাক্ষরের জন্য জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজা বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, সংসদে বসেই জনগণের অধিকার হরণ করা হয়েছিল। ভবিষ্যতে যেন একই প্রক্রিয়া আবার চালু না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক করতেই ওই স্থান নির্বাচন করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার গঠিত হয়। দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকার জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নে উদ্যোগ নেয়। এতে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। সাত মাসের বেশি সময় ধরে আলোচনা শেষে অধিকাংশ বিষয়ে ঐকমত্যের ভিত্তিতে জুলাই জাতীয় সনদ তৈরি হয়।

সর্বশেষ - অপরাধ