ইসলামের অন্যতম পবিত্র নগরী মদিনার মসজিদে নববীতে বিদ্যুৎ সরবরাহকারী একটি প্রধান বিতরণ কেন্দ্রে ড্রোন হামলার ঘটনা ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। গত মঙ্গলবার আয়োজিত ওই হামলায় একটি ট্রান্সফরমার ক্ষতিগ্রস্ত হলেও বিকল্প উপায়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ সচল রাখা হয়। সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এই আক্রমণের জন্য সরাসরি ইয়েমেনের সশস্ত্র গোষ্ঠী হুথিদের দায়ী করে জানিয়েছে, মুসলিম বিশ্বের অনুভূতিতে আঘাত হানার ষড়যন্ত্র হিসেবেই এ হামলা চালানো হয়েছে। তবে হুথি নিয়ন্ত্রিত বার্তা সংস্থা সাবা এই অভিযোগকে পুরোপুরি ‘ভিত্তিহীন ও সাজানো নাটক’ হিসেবে প্রত্যাখ্যান করেছে।
সীমান্তে উত্তেজনা বৃদ্ধির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) খামিস মুশাইত ও জাজানের আকাশে হুথিদের ছোঁড়া ৪টি ড্রোন ও ২টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিহত করার দাবি করেছে সৌদি প্রতিরক্ষা বাহিনী। অন্যদিকে ইয়েমেনের অভ্যন্তরে তাইজ প্রদেশের বিভিন্ন ফ্রন্টে সরকারি বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ ও বিমান হামলায় অন্তত ৩০ জন হুথি যোদ্ধা নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ক্রমবর্ধমান লড়াইয়ের কারণে ইয়েমেনে মানবিক সংকট তীব্রতর হচ্ছে; পরিসংখ্যান অনুযায়ী ইতোমধ্যে ১ লাখ ৯৭ হাজারের বেশি বাস্তুচ্যুত মানুষ নিবন্ধিত হয়ে তাইজ ও লাহিজসহ বিভিন্ন আশ্রয়শিবিরে চরম দুর্দশার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন।


















