শুক্রবার , ২ অক্টোবর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

রূপপুরে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত প্রস্তুতি, নভেম্বর-ডিসেম্বরে গ্রিডে যাওয়ার আশা

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
অক্টোবর ২, ২০২৬ ১০:০৫ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিট থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের চূড়ান্ত ধাপের প্রস্তুতি চলছে। এরই মধ্যে ইউনিট-১-এর গুরুত্বপূর্ণ ‘প্রেশার অপারেটেড রিলিফ ভালভ’-এর ১৬ মেগাপ্যাসকেল (এমপিএ) উচ্চচাপ পরীক্ষা সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, ইউনিট-১ চালুর প্রস্তুতিতে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

এদিকে রূপপুর প্রকল্পের দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি ইউরেনিয়াম শুক্রবার দুপুরের মধ্যে বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে এসব জ্বালানি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আনার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

সেফটি ভালভের পরীক্ষা সফল

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) সূত্র জানিয়েছে, গত ৩০ সেপ্টেম্বর সকালে ইউনিট-১-এর প্রেশার অপারেটেড রিলিফ ভালভের ১৬ এমপিএ উচ্চচাপ পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়। এর আগে ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে পরীক্ষা শুরু করা হয়েছিল।

মূল নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ও জরুরি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ—দুই জায়গা থেকেই পরীক্ষাটি পরিচালনা করা হয়। এতে কন্ট্রোল ভালভের কার্যকারিতা, ভালভের খোলা ও বন্ধ হওয়ার সক্ষমতা, অ্যালার্ম এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্যারামিটার পর্যবেক্ষণ করা হয়।

অনুমোদিত কার্যপদ্ধতি ও নিরাপত্তা শর্ত মেনেই পরীক্ষা সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। পরীক্ষার আগে ও চলাকালে যোগাযোগব্যবস্থা, অগ্নিনিরাপত্তা এবং বিকিরণ সুরক্ষার বিষয়গুলোও যাচাই করা হয়।

রিঅ্যাক্টরের প্রাথমিক সিস্টেমে নিরাপদ চাপ বজায় রাখার সঙ্গে প্রেশার অপারেটেড রিলিফ ভালভের কার্যক্রম যুক্ত থাকায় পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র চালুর প্রস্তুতিতে এই পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

পরবর্তী ধাপে প্রায় ১৮ এমপিএ চাপে আরও একটি পরীক্ষা হওয়ার কথা রয়েছে। সেটিও সফল হলে ফিশন রিঅ্যাকশন শুরু করার প্রক্রিয়ায় যাওয়া হবে।

অক্টোবরজুড়ে চলবে পরীক্ষা

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন জানিয়েছেন, অক্টোবরেই রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়া সম্ভব হবে না। পাওয়ার স্টার্টআপ পর্যায়ে যাওয়ার আগে আরও কয়েকটি পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে।

তিনি বলেন, ১৬ এমপিএ উচ্চচাপ পরীক্ষা সফলভাবে শেষ হয়েছে। এখন ফিশন রিঅ্যাকশন শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় প্রায় তিন সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। এরপর পাওয়ার স্টার্টআপে যেতে অক্টোবর মাস লেগে যেতে পারে।

ফিশন রিঅ্যাকশন শুরু হওয়ার পরও বেশ কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে হবে। রিঅ্যাকশনকে স্থিতিশীল করার পরই পরবর্তী ধাপে যাওয়া সম্ভব হবে। সবকিছু নির্ধারিত পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হতে পারে বলে আশা প্রকাশ করেন প্রকল্প পরিচালক।

দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম আসছে

রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পারমাণবিক সংস্থা রোসাটমের হয়ে প্রকল্পের তথ্য প্রচারের সঙ্গে যুক্ত পিআর প্রতিষ্ঠান ট্রাইউইন গ্রুপের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, শুক্রবার দুপুরের মধ্যে রূপপুরের দ্বিতীয় ইউনিটের ইউরেনিয়াম বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

এর আগে পাকিস্তানের আকাশসীমা ব্যবহারের জটিলতার কারণে ২৪ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় ইউনিটের জ্বালানি দেশে আনা সম্ভব হয়নি। পরে বিকল্প ব্যবস্থায় জ্বালানি আনার প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, রাশিয়া থেকে বিশেষ কার্গো উড়োজাহাজে জ্বালানি ঢাকায় আনার পর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রূপপুর প্রকল্প এলাকায় নেওয়া হবে।

দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য সাতটি কার্গো এবং প্রথম ইউনিটের রিফুয়েলিংয়ের জন্য আরও দুটি কার্গোতে জ্বালানি আসবে। সব মিলিয়ে নয়টি কার্গোতে জ্বালানি সরবরাহের পরিকল্পনা রয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে পুরো জ্বালানি বাংলাদেশে পৌঁছানোর কথা জানিয়েছে রোসাটম।

চলতি বছর গ্রিডে যাওয়ার আশা

এর আগে ভিয়েনায় আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সাধারণ সম্মেলনের আগে এক বৈঠকে রোসাটমের মহাপরিচালক অ্যালেক্সি লিখাচভের কাছে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী রূপপুরের বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছিলেন বিজ্ঞানমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। তখন চলতি বছরের মধ্যেই গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের বিষয়ে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল বলে সংশ্লিষ্টরা জানান।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. কবীর হোসেন জানান, নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রথম ইউনিট উৎপাদনে আসার প্রায় এক বছর পর দ্বিতীয় ইউনিট উৎপাদনে আসার কথা। তবে প্রথম ইউনিটের বর্তমান অগ্রগতির ওপর ভিত্তি করে দ্বিতীয় ইউনিটের নির্ধারিত সময়সূচি বাস্তবায়ন কঠিন হতে পারে।

২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট উৎপাদন সক্ষমতা

পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রটি প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার ৭০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হচ্ছে। রাশিয়ার আর্থিক, কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতায় নির্মাণাধীন এই বিদ্যুৎকেন্দ্রে দুটি ইউনিট রয়েছে।

প্রতিটি ইউনিটের বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ১ হাজার ২০০ মেগাওয়াট। ফলে দুটি ইউনিট চালু হলে কেন্দ্রটির মোট উৎপাদন সক্ষমতা হবে ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট।

সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, প্রথম ইউনিটের চূড়ান্ত পরীক্ষা ও পাওয়ার স্টার্টআপের ধাপগুলো সফলভাবে সম্পন্ন হলে নভেম্বরের শেষ থেকে ডিসেম্বরের মধ্যে রূপপুরের উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা সম্ভব হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর, স্থগিত হলো একনেকের বৈঠক

মধ্যপ্রাচ্য সংঘাতের বিস্তার: ৪৩ হাজার মার্কিন নাগরিককে সরিয়ে নিল যুক্তরাষ্ট্র

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুলের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেকের প্রথম সাক্ষাৎ

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে সংকট বাড়ার শঙ্কা

পদ্মা ও তিস্তা ব্যারাজ দ্রুত নির্মাণ করা হবে: প্রধানমন্ত্রী

জাতীয় পার্টির ভেতর দিয়ে আ.লীগ ফেরানোর চেষ্টা চলছে

গুলশানে নেতাকর্মীদের ঢল তারেক রহমানের অপেক্ষায়

প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে ভারতের হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস

পুরান ঢাকায় শীর্ষ সন্ত্রাসীর হত্যায় দুই শুটার গ্রেফতার