শনিবার , ১৮ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

একজন শিক্ষক আমাকে নাম দিয়েছেন ‘পরীক্ষা মিলন’ ; শিক্ষামন্ত্রীর ক্ষোভ প্রকাশ

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ১৮, ২০২৬ ৫:৫৬ অপরাহ্ণ

Spread the love

শিক্ষাক্ষেত্রে পরীক্ষার গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, একজন শিক্ষক তথা ডক্টরেট ডিগ্রিধারী ব্যক্তি তাঁকে ‘পরীক্ষা মিলন’ নাম দিয়েছেন। আজ শনিবার (১৮ জুলাই, ২০২৬) নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা কার্যক্রম উদ্বোধন শেষে সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই মন্তব্য করেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে চলা ট্রল ও সমালোচনার কড়া জবাব দিয়ে মন্ত্রী প্রশ্ন তোলেন, ওই ডক্টর সাহেব কি পরীক্ষা ছাড়াই পিএইচডি করেছেন? তিনি স্পষ্ট জানান, উন্নত বিশ্বে প্রজেক্ট সিস্টেমে নতুন পদ্ধতিতে যে পড়াশোনা হয়, সেখানেও পরীক্ষা ছাড়া কোনো মূল্যায়ন বা সার্টিফিকেট সম্ভব নয়। শিক্ষার মান নিশ্চিত করতে পরীক্ষা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি দুঃখ প্রকাশ করেন যে, আজকাল অনেক গুণী মানুষও পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তিকর মন্তব্য করছেন।

দেশের কিছু উচ্চশিক্ষিত ব্যক্তির মন্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে শিক্ষামন্ত্রী হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, বাংলাদেশে ইদানীং এত বেশি পিএইচডি ডিগ্রি দেখা যাচ্ছে যে, এই ডিগ্রিগুলো এখন সরকারের খতিয়ে দেখা দরকার। মতবিনিময় সভায় তিনি একটি রূপক গল্পের মাধ্যমে নামসর্বস্ব পিএইচডি ডিগ্রিকে কটাক্ষ করেন, যেখানে মাত্র ১০ ডলারে গাধাকে পিএইচডি সনদ দেওয়ার কথা বলা হয়। মন্ত্রী সতর্ক করে বলেন, যদি কোনো ব্যক্তি নিজের চেতনা ও চিন্তাভাবনাকে বিসর্জন দিয়ে উশৃঙ্খল কথার মাধ্যমে সমাজকে উস্কানি দিতে চায়, তবে দেশের সচেতন তরুণ প্রজন্ম তাদের সেই অপচেষ্টাকে ব্যর্থ করে দেবে।

সম্প্রতি নতুন শিক্ষাক্রম ও পরীক্ষা পদ্ধতি নিয়ে শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের প্রসঙ্গ টেনে আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেন, শিক্ষার্থীরা একটি সঠিক ন্যারেটিভ বা বক্তব্যকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নেতিবাচক (নেগেটিভ) অর্থে গ্রহণ করেছে। জাতি যদি এভাবে সত্যের একাংশ গ্রহণ করে ‘অর্ধকানা’ হয়ে যায়, তবে আমাদের ভবিষ্যৎ অন্ধকার। তিনি দাবি করেন, যারা সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁকে নিয়ে ট্রল বা সমালোচনা করছে, তারা আসলে কোনো সাধারণ ছাত্র নয়। এই কুচক্রী মহল ছাত্রদের ভুল বুঝিয়ে (মিসগাইড) রাজপথে আন্দোলনের নামে অযথা বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তবে কোনো অপপ্রচার বা ট্রলই সরকারকে তার সঠিক দায়িত্ব থেকে বিচ্যুত করতে পারবে না, কারণ তারা এই জাতিকে সুশিক্ষিত করার পবিত্র দায়িত্ব নিয়ে এসেছেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত