দেশের মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও সার্বিক উন্নয়নে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান. আজ বুধবার (১৫ জুলাই, ২০২৬) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এই ঘোষণা দেন. প্রধানমন্ত্রী বলেন, “১০ লাখ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং আমাদের যুবসমাজের ভাষা ও দক্ষতা উন্নয়নে সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করছে.” একই সাথে জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং নাগরিক সেবা আরও সহজ ও আধুনিক করতে দেশের সব ধরনের কার্ডকে একটি ‘ইউনিভার্সাল কার্ড’-এর আওতায় নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি. কৃষকদের পাশে দাঁড়ানোর প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি উল্লেখ করেন যে, ক্ষমতায় আসার পর বর্তমান সরকার কৃষকদের ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষি ঋণ মওকুফের ঐতিহাসিক ঘোষণা বাস্তবায়ন করছে এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশে ‘জুলাই সনদ’-এর প্রতিটি অঙ্গীকার অক্ষরে অক্ষরে পূরণে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ.
চলতি অর্থবছরের বাজেট পাসের প্রসঙ্গ টেনে প্রধানমন্ত্রী একে ‘ঐতিহাসিক মুহূর্ত’ হিসেবে অভিহিত করেন. তিনি বলেন, ফ্যাসিবাদের করাল গ্রাস থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম এই সংসদে বাজেট পাস হওয়া দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রার এক অনন্য মাইলফলক. অতীতে যেসব দেশি-বিদেশি সংস্থা ঢালাওভাবে বাজেটের সমালোচনা করত, তারাও এবার দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে এই বাজেটকে চূড়ান্তভাবে ‘জনবান্ধব’ বলে প্রশংসা করেছে. বিগত সরকারের আমলে দেশের শিক্ষা খাতের বেহাল অবস্থার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন, এই ভঙ্গুর দশা কাটাতে এবং তরুণ প্রজন্মকে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে এবারের বাজেটে শিক্ষা খাতে সর্বোচ্চ বরাদ্দ রাখা হয়েছে. আগামীতে এই বরাদ্দ আরও বৃদ্ধি করে শিক্ষা খাতে জিডিপির (GDP) ৫ শতাংশে উন্নীত করা হবে বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন প্রধানমন্ত্রী.



















