বিশ্বকাপে দুর্দান্ত এক শুরু পেয়েছিল মিশর. বেলজিয়ামের বিপক্ষে ম্যাচের প্রথম দিকে ইমান আশুরের চমৎকার এক গোলে লিডও পেয়েছিল তারা. তবে ম্যাচের ৬৬ মিনিট পর্যন্ত সেই লিড ধরে রাখতে পারলেও শেষ পর্যন্ত একটি আত্মঘাতী গোলের কারণে নিশ্চিত জয় থেকে বঞ্চিত হয় মোহাম্মদ সালাহর দল. মাঠের তীব্র লড়াই শেষে ১-১ গোলের সমতা নিয়ে মাঠ ছাড়ে এই দু’দল.
প্রথমার্ধের আক্রমণ ও আশুরের প্রথম আন্তর্জাতিক গোল
সিয়াটল স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এই ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও পাল্টা আক্রমণের কৌশল নিয়ে খেলতে থাকে. বলের নিয়ন্ত্রণে (পজিশন) বেলজিয়াম বেশ কিছুটা এগিয়ে থাকলেও কাউন্টার অ্যাটাক বা প্রতি-আক্রমণে মিশরই বেশ কিছু মারাত্মক সুযোগ তৈরি করতে সমর্থ হয়.
ম্যাচের ২১ মিনিটে ডি বক্সের বাইরে থেকে এক জোরালো ও নিখুঁত শটে বেলজিয়ামের বিশ্বখ্যাত গোলরক্ষক থিবো কোর্তোয়াকে পরাস্ত করেন মিশরের ইমান আশুর. বলটি জালে জড়ানোর সাথে সাথেই উল্লাসে মেতে ওঠে মিশরীয় শিবির. উল্লেখ্য, আন্তর্জাতিক ফুটবলের ক্যারিয়ারে এটিই ইমান আশুরের প্রথম গোল.
বেলজিয়ামের চেষ্টা ও সমতায় ফেরার বিবরণ
গোল হজম করার পর তা শোধ করতে মরিয়া হয়ে খেলতে থাকে বেলজিয়াম. প্রথমার্ধের একেবারে শেষ দিকের খেলায় তারা সমতায় ফেরার একটি দারুণ সুযোগও পেয়েছিল. তবে ডি বক্সের ভেতর থেকে বেলজিয়ামের তারকা খেলোয়াড় ডকুর নেওয়া শটটি গোলপোস্টের অনেক বাইর দিয়ে চলে গেলে সে যাত্রায় বেঁচে যায় মিশর.
| ম্যাচের পর্যায় | মাঠের মূল ঘটনা ও বিবরণ |
| লুকাকুর আগমন | দ্বিতীয়ার্ধে গোলের আশায় এবং দলের আক্রমণভাগকে শক্তিশালী করতে মাঠে নামেন তারকা স্ট্রাইকার রোমেলু লুকাকু. |
| আত্মঘাতী গোলের ধাক্কা | ম্যাচের ৬৬ মিনিটে বেলজিয়ামের একটি আক্রমণ থেকে আসা বল এবং মাঠে থাকা রোমেলু লুকাকুকে ঠেকাতে যান মিসরীয় ডিফেন্ডার মোহাম্মদ হানি. কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত বলটি তাঁর পায়ে লেগে নিজেদের জালেই জড়িয়ে যায়. |
| ম্যাচের চূড়ান্ত পরিণতি | মোহাম্মদ হানির এই আত্মঘাতী গোলের ওপর ভর করেই ম্যাচে সমতায় ফেরে বেলজিয়াম. এরপর নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দুই দলের কেউই আর কোনো গোল করতে না পারায় ম্যাচটি ড্রয়ে রূপ নেয়. |


















