পবিত্র ঈদুল আজহা এবং গ্রীষ্মকালীন অবকাশের দীর্ঘ ছুটির অংশ হিসেবে ২৫ মে থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত টানা সাত দিনের জন্য দেশের সকল তফসিলি ব্যাংক বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। তবে কোরবানির ঈদের আগে তৈরি পোশাক শিল্পের (আরএমজি) শ্রমিক-কর্মচারীদের বকেয়া বেতন-ভাতা, উৎসব বোনাস পরিশোধ এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য সচল রাখার বিশেষ প্রয়োজনে আজ মঙ্গলবার (২৬ মে) সীমিত পরিসরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যাংক শাখা খোলা রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ খোলা থাকা এসব বিশেষায়িত শাখাগুলোতে দাপ্তরিক ও অফিস কার্যক্রম চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত; তবে সাধারণ গ্রাহকেরা জরুরি প্রয়োজনে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত সরাসরি নগদ লেনদেন ও চেকের ক্লিয়ারিং করতে পারবেন। এর আগে গত ১৮ মে (সোমবার) বাংলাদেশ ব্যাংকের সুপারভাইজরি ডেটা ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড এনালিটিক্স ডিপার্টমেন্ট (এসডিএডি) এ সংক্রান্ত একটি বিশেষ জরুরি সার্কুলার জারি করে দেশের সকল বাণিজ্যিক ব্যাংকের প্রধান নির্বাহীদের নিকট পাঠায়।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারি করা ওই সার্কুলারে স্পষ্ট বলা হয়েছে, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ঘোষিত সাধারণ ছুটির ধারাবাহিকতায় ২৫ থেকে ৩১ মে পর্যন্ত ব্যাংক বন্ধ থাকলেও পোশাক শিল্প খাতের শ্রমিকদের পাওনা পরিশোধে ঢাকা মহানগরী, আশুলিয়া, টঙ্গী, গাজীপুর, সাভার, ভালুকা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের পোশাক শিল্পসংশ্লিষ্ট বাণিজ্যিক ব্যাংকের নির্দিষ্ট শাখাগুলো ২৫ ও ২৬ মে সীমিত পরিসরে খোলা থাকবে। এর পাশাপাশি দেশের অর্থনৈতিক লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত প্রধান সমুদ্রবন্দর, গুরুত্বপূর্ণ স্থলবন্দর ও বিমানবন্দর এলাকার ব্যাংক শাখা, উপশাখা ও বুথগুলোতে আগের মতোই সপ্তাহে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা (24/7) বিরতিহীন সেবা চালু থাকবে। ঈদের ছুটির পুরো সময়জুড়ে (শুধুমাত্র ঈদের দিন ব্যতীত) কাস্টমস হাউজ ও বন্দরগুলোর আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট সীমিত ব্যাংকিং কার্যক্রম শুল্কায়নের স্বার্থে পুরোপুরি সচল রাখার জন্য বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে কঠোর নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যাতে পবিত্র উৎসবের মাঝেও দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যে কোনো ধরনের স্থবিরতা বা অচলাবস্থার সৃষ্টি না হয়।



















