সরকার এবং দেশীয় শিল্পোদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা যদি কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে একসঙ্গে কাজ করেন, তবে আগামী চার থেকে পাঁচ বছরের মধ্যে বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে একটি বড় ধরনের ইতিবাচক ও দৃশ্যমান পরিবর্তন আনা সম্ভব বলে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার (১ আগস্ট) ঢাকার তেজগাঁওয়ে অবস্থিত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) উদ্যোগে আয়োজিত বেসরকারি খাতের উদ্যোক্তাদের সঙ্গে দীর্ঘ চার ঘণ্টাব্যাপী এক উচ্চপর্যায়ের মতবিনিময় সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু সভার বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আলোচনাসভায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে তাঁর সরকারের বয়স এখনো ছয় মাস পূর্ণ হয়নি, কিন্তু এর মধ্যেই অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করতে এবং বেসরকারি খাতের সমস্যা নিরসনে ব্যবসায়ীদের সাথে একাধিকবার আলোচনায় বসা হয়েছে। তিনি জানান, আগের বৈঠকে ব্যবসায়ীদের উত্থাপিত ২৮টি সমস্যার মধ্যে ইতোমধ্যে ২১টির সফল সমাধান করা হয়েছে এবং বাকি ৭টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। সভায় ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশের রূপকল্প অনুযায়ী রপ্তানি আয় ১০০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার যে লক্ষ্যমাত্রা উদ্যোক্তারা উপস্থাপন করেছেন, তা অর্জনে কূটনৈতিক ও নীতিগত সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়। উক্ত সভায় অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদসহ মন্ত্রী পরিষদের সদস্যবৃন্দ, বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মোস্তাকুর রহমান এবং দেশের শীর্ষপর্যায়ের শিল্পগোষ্ঠীর প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

















