মঙ্গলবার , ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | ৩রা আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট বাতিল চেয়ে রিট; অসাংবিধানিক দাবি আইনজীবীর

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
ফেব্রুয়ারি ১৭, ২০২৬ ১০:১৭ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

আইনি চ্যালেঞ্জ ও অসাংবিধানিকতার দাবি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সাথে অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক গণভোটের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬) হাইকোর্টে একটি রিট আবেদন করা হয়েছে। রিটকারী আইনজীবী এবিএম আতাউল মজিদ (তৌহিদ) এই আবেদনটি করেন। তাঁর প্রধান যুক্তি হলো, বিদ্যমান বাংলাদেশের সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের কোনো আইনগত বিধান নেই। তিনি দাবি করেন, সংবিধান পরিবর্তন বা সংশোধন করতে হলে কেবল সংসদের দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রয়োজন, গণভোটের মাধ্যমে তা সম্ভব নয়। এই রিটে গত ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোটের গেজেটের ওপর স্থগিতাদেশ এবং সামগ্রিক ফলাফল বাতিলের আবেদন জানানো হয়েছে। বিচারপতি ফাতেমা নজীবের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চে আগামী সপ্তাহে এই বিষয়ে শুনানি হতে পারে।

গণভোটের ফলাফল ও বর্তমান প্রেক্ষাপট নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) ঘোষিত ফলাফলে দেখা যায়, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়যুক্ত হয়েছে। ইসির জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন:

  • মোট ভোট প্রদান: ৬০.২৬ শতাংশ।
  • ‘হ্যাঁ’ ভোট: ৪ কোটি ৮০ লাখ ৭৪ হাজার ৪২৯টি (প্রায় ৬৮.০৭%)।
  • ‘না’ ভোট: ২ কোটি ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ৬২৭টি (প্রায় ৩১.৯৩%)। অন্তর্বর্তী সরকার এই গণভোটের মাধ্যমে ‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নের জনবল বা ম্যান্ডেট পাওয়ার দাবি করলেও, আজ সংসদে বিএনপির শপথ বর্জন এবং হাইকোর্টে এই রিট আবেদন পুরো প্রক্রিয়াটিকে এক গভীর আইনি ও রাজনৈতিক জটিলতায় ফেলে দিল।

রাজনৈতিক প্রভাব আজ যখন নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা শপথ নিচ্ছেন এবং বিকেলে তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার গঠনের প্রস্তুতি চলছে, ঠিক তখনই এই রিট আবেদনটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বিএনপি ইতিমধ্যেই সংস্কার পরিষদের শপথ বর্জন করেছে এই যুক্তিতে যে, এটি অসাংবিধানিক। হাইকোর্টে রিটকারীর দাবিও একই সমান্তরালে হওয়ায় এখন প্রশ্ন উঠেছে—জনগণ যে সংস্কারের পক্ষে রায় দিল, তা কি আইনি মারপ্যাঁচে আটকে যাবে? এই আইনি লড়াইয়ের ফলাফলই নির্ধারণ করবে আগামীর ‘সংবিধান সংস্কার পরিষদ’-এর ভবিষ্যৎ এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর প্রস্তাবিত রাষ্ট্র সংস্কারের রূপরেখা।


এক নজরে রিটকারীর প্রধান যুক্তি:

  • সংবিধানের অনুপস্থিতি: সংবিধানে বর্তমানে গণভোটের কোনো স্পষ্ট ধারা বা বিধান নেই।
  • সংসদের ক্ষমতা: সংবিধান সংশোধনের একমাত্র এখতিয়ার জাতীয় সংসদের।
  • গেজেট স্থগিত: গণভোটের ফলাফলের গেজেটকে অবৈধ হিসেবে ঘোষণা করা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত