ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শরিকদের সঙ্গে আসন সমঝোতার পরও কয়েকটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী মাঠে থাকায় দলটি চাপের মুখে পড়েছে। এ অবস্থায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বিদ্রোহী প্রার্থীদের গুলশানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে ডেকে এনে সমঝোতার চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইতোমধ্যে একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থী তার সঙ্গে সাক্ষাতের পর নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়া-১ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী সৈয়দ এ কে একরামুজ্জামান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে ভিডিও বার্তায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। তিনি জানান, দলীয় শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের প্রতি সম্মান জানিয়ে ধানের শীষের পক্ষে দাঁড়াচ্ছেন।
এ ছাড়া ঝিনাইদহ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মুর্শিদা খাতুন, মাদারীপুর-৩ আসনে আসাদুজ্জামান পলাশ এবং সুনামগঞ্জ-৫ আসনে মিজানুর রহমান চৌধুরীও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তারা সবাই দলীয় প্রধানের আহ্বান ও দলীয় স্বার্থের কথা উল্লেখ করে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের কথা জানান।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী ও বহিষ্কৃত নেতা এমএ খালেকের সঙ্গেও তারেক রহমানের সাক্ষাৎ হয়েছে। এর পর দলটির ভেতরে আলোচনা চলছে, তিনিসহ আরও কয়েকজন বিদ্রোহী প্রার্থীও শিগগির নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে পারেন।
এদিকে নারায়ণগঞ্জ-২ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আতাউর রহমান খান আঙ্গুরকেও গুলশানে ডেকে কথা বলা হয়েছে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
বিএনপির নেতারা মনে করছেন, ধারাবাহিক এই উদ্যোগের মাধ্যমে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বড় একটি অংশকে সরিয়ে দলীয় ও জোটের প্রার্থীদের জন্য মাঠকে আরও সংগঠিত করা সম্ভব হবে। এতে আসন সমঝোতা কার্যকর হবে এবং নির্বাচনী কৌশলে বিএনপি সুবিধাজনক অবস্থানে যেতে পারবে।



















