সোমবার , ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

মতিঝিল আইডিয়ালের ২৩ শিক্ষককে দুদকের তলব

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২৬ ১২:১৯ অপরাহ্ণ

Spread the love

ভুয়া ও জাল বিএড সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগে রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২৩ শিক্ষককে তলব করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আগামী ১ অক্টোবর কলেজের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে তাঁদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে।

দুদকের সহকারী পরিচালক ও অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তা আখতারুজ্জামানের স্বাক্ষর করা গত ২৪ সেপ্টেম্বরের এক চিঠিতে এ নির্দেশ দেওয়া হয়। চিঠির একটি কপি গণমাধ্যমের হাতে এসেছে। একই সঙ্গে তলব করা ২৩ শিক্ষকের তালিকাও পাওয়া গেছে।

দুদকের চিঠিতে বলা হয়েছে, মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভুয়া ও জাল সনদ ব্যবহার করে শিক্ষকতা করার অভিযোগ রয়েছে। অভিযোগের সুষ্ঠু অনুসন্ধানের স্বার্থে সংশ্লিষ্ট ২৩ শিক্ষকের বক্তব্য গ্রহণ করা প্রয়োজন। এ কারণে নির্ধারিত তারিখ ও সময়ে তাঁদের অধ্যক্ষের কার্যালয়ে উপস্থিত হতে বলা হয়েছে।

তলব করা শিক্ষকদের বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি এবং জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি সঙ্গে নিয়ে যেতে বলা হয়েছে। কোনো শিক্ষক জরুরি কারণে নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারলে তাঁর বিএড সনদের মূল কপি, এক সেট ফটোকপি ও জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি অধ্যক্ষের জিম্মায় রাখার অনুরোধ জানিয়েছে দুদক।

দুদক সূত্রের বরাত দিয়ে জানা গেছে, প্রতিষ্ঠানটির কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ভুয়া সনদ ব্যবহার করে চাকরি করার অভিযোগ পাওয়ার পর বিষয়টি অনুসন্ধানের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এ-সংক্রান্ত বেশ কিছু নথি পাওয়ার পর সম্প্রতি একজন অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

দুদকের প্রাথমিক অনুসন্ধানে তলব করা শিক্ষকদের বিএড সনদ দারুল ইহসান বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন শাখা থেকে নেওয়া বলে উল্লেখ করা হয়েছে। এসব সনদকে প্রাথমিকভাবে জাল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে বলে দুদকের চিঠিতে জানানো হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত অনুসন্ধান শেষে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতেই নির্ধারিত হবে।

দুদকের তলব করা ২৩ শিক্ষক হলেন—রুবিনা সুলতানা, মো. সোলায়মান, তাহমিনা ইয়াছমিন, মোহা. কবিউল ইসলাম, সেবিকা রানী পাল, মোছা. নাহিদা আখতার, সালেহ আহমেদ, মো. মোজাম্মেল হক, মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম খান, মাহফুজা হাসনা, সালমা খাতুন, সুস্মিতা আক্তার, মো. আজিবর রহমান, মো. রবিউল ইসলাম, মোহাম্মদ আবু বকর, মহিউদ্দিন, আজমল হোসেন, মো. ফরিদুর রহমান শেখ, নূরজাহান, মো. সিরাজুল ইসলাম, মুহাম্মদ আল আমিন খান, মোহাম্মদ আফছার উদ্দিন ও এন এম মঞ্জুরুল হক।

দুদকের অনুসন্ধানের পর এসব শিক্ষকের বিএড সনদ এবং চাকরিতে নিয়োগসংক্রান্ত নথিপত্রের সত্যতা ও বৈধতা সম্পর্কে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

সর্বশেষ - অপরাধ