শুক্রবার , ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

তিস্তায় ভাঙনে শতাধিক পরিবার নিঃস্ব, ঝুঁকিতে আরও ২৫০ পরিবার

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
সেপ্টেম্বর ৪, ২০২৬ ৮:৫২ অপরাহ্ণ

Spread the love

গাইবান্ধায় প্রায় সব নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর মধ্যে তিস্তা নদীর তীব্র ভাঙনে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার কাপাশিয়া ইউনিয়নের লালচামার এলাকায় শতাধিক পরিবার বসতভিটা হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে পড়েছে। ভাঙনের মুখে রয়েছে আরও প্রায় ২৫০ পরিবার।

শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৩টায় গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর পানি কাউনিয়া পয়েন্টে ৮ সেন্টিমিটার বেড়েছে। সেখানে পানি বিপৎসীমার ৫৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।

এ ছাড়া ব্রহ্মপুত্র নদের পানি ফুলছড়ির তিস্তামুখ পয়েন্টে ২১ সেন্টিমিটার, ঘাঘট নদীর পানি জেলা শহরের নতুন ব্রিজ পয়েন্টে ১৩ সেন্টিমিটার এবং করতোয়া নদীর পানি গোবিন্দগঞ্জের চকরহিমাপুর স্টেশন পয়েন্টে ১৫ সেন্টিমিটার বেড়েছে। সব নদ-নদীতেই পানি বৃদ্ধির প্রবণতা রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, গত বুধবার ভোর থেকে হঠাৎ করে তিস্তা নদীর ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করে। ওই দিনই নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। শুক্রবার পর্যন্ত আরও ২০টি পরিবারের বাড়িঘর আংশিকভাবে নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। সব মিলিয়ে শতাধিক পরিবারের বাড়িভিটা পুরোপুরি বা আংশিকভাবে নদীতে চলে গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান জানান, অন্তত ১৫টি পরিবার ঘরবাড়ি থেকে টিন, বাঁশ, আসবাবপত্র ও খাদ্যসামগ্রী কিছুই সরিয়ে নিতে পারেনি। অন্যরা আংশিক ভেঙে পড়া বাড়ি থেকে কিছু মালপত্র সরিয়ে নিতে পেরেছেন। ভাঙনের তোড়ে গাছপালা, গবাদিপশু, হাঁস-মুরগিও ভেসে গেছে।

শুক্রবার দুপুরে ভাঙনকবলিত এলাকা ঘুরে দেখা যায়, আরও প্রায় আড়াই শ পরিবার নদীভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে। এসব পরিবারের মধ্যে চরম আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, চলতি বর্ষা মৌসুমে দফায় দফায় এ এলাকায় নদীভাঙন দেখা দিয়েছে। গত ১৮ আগস্ট নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায় চরের শিশুদের একমাত্র শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ভোরের পাখি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গত জুলাই থেকে পানি বাড়া-কমার মধ্যেই শতাধিক পরিবার বাড়িঘর হারিয়ে নিঃস্ব হয়েছে।

স্থানীয়দের দাবি, সময়মতো জিও ব্যাগ ফেলা হলে ভাঙনের ক্ষয়ক্ষতি কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। তারা জানান, পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। গত ৮ আগস্ট পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেনও এলাকা পরিদর্শন করে বিদ্যালয়সহ ভাঙনকবলিত বসতভিটা রক্ষায় পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন।

কাপাশিয়া ইউনিয়নের সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য হাফিজুল ইসলাম বলেন, এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরেই ভাঙনপ্রবণ। আরও অনেক পরিবার ঝুঁকিতে রয়েছে। পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ ডাম্পিং করা গেলে মানুষের আশ্রয়স্থল, বিদ্যালয়, গাছপালা ও জমি রক্ষা করা সম্ভব হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ঈফফাত জাহান তুলি জানান, ভাঙনকবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি সেখানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজ শুরু হয়েছে।

গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শরিফুল ইসলাম বলেন, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় অনুমতি পাওয়ার পর ওই এলাকায় পর্যাপ্ত জিও ব্যাগ ডাম্পিংয়ের কাজ শুরু হয়েছে। সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ভাঙন রোধে কাজ করা হচ্ছে।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

খালেদার জানাজায় বিপুল উপস্থিতি বিএনপির নির্বাচনে জোয়ার এনেছে

প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে এনইসির সভা চলছে

শপথ অনুষ্ঠানে বঙ্গভবনে তারেক রহমান

‘জ্বালাও-পোড়াও করে নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ’ — শফিকুল আলম

হরমুজ প্রণালি সাময়িক বন্ধের ঘোষণা আইআরজিসির

বাংলাদেশকে কখনো বন্ধু রাষ্ট্র মনে করেনি ভারত: শামসুজ্জামান দুদু

অবশেষে ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা শিথিল হচ্ছে ইরান ফুটবল দলের

অনূর্ধ্ব-১৯ ফুটবল দলের বিমান বৈরী আবহাওয়ার কারণে ঢাকায় নামতে ব্যর্থ

ট্রাম্পবিরোধী নীতির প্রতিবাদে শ্রমিক দিবসে আমেরিকাজুড়ে বিক্ষোভ

তারেক রহমানের সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সৌজন্য সাক্ষাৎ