মহেশখালীর ভাসমান এলএনজি টার্মিনালে (FSRU) আকস্মিক কারিগরি ত্রুটির কারণে জাতীয় গ্যাস গ্রিডে দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট সরবরাহ কমে গেছে। এর ফলে রাজধানী ঢাকাসহ আশপাশের এলাকায় তীব্র গ্যাসসংকট দেখা দিয়েছে, যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও গ্যাস না পেয়ে রাইড-শেয়ারিং ও অটোরিকশাচালকরা মারাত্মক আর্থিক লোকসান ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। শুধু চালকরাই নন, গ্যাসের চাপ কমে যাওয়ায় আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছেন পাম্প মালিকরাও। পাশাপাশি আবাসিক এলাকা, শিল্পকারখানা ও হোটেল-রেস্তোরাঁতেও রান্নাবান্না ও উৎপাদন ব্যাপকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বাংলাদেশ সিএনজি ফিলিং স্টেশন অ্যান্ড কনভার্সন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের মহাসচিব ফারহান নূর জানান, গ্রিডে গ্যাসের চাপ না থাকায় পর্যাপ্ত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে না, ফলে তাদের পরিচালন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর উপমহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন জানিয়েছেন, দেশীয় প্রকৌশলীরা ত্রুটি শনাক্ত করতে না পারায় টার্মিনাল পরিচালনাকারী মার্কিন প্রতিষ্ঠান ‘এক্সিলারেট এনার্জি’র বিদেশি বিশেষজ্ঞদের আনা হয়েছে। জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ আশা প্রকাশ করেছে যে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। তবে পেট্রোল বা ডিজেলের মতো জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ থাকায় এ নিয়ে আতঙ্কিত না হতে আহ্বান জানানো হয়েছে।



















