বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং প্রযুক্তিগত সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে আগামী অক্টোবর ২০২৬-এর মাঝামাঝি সময়ে জাপান সফরে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বর্তমানে ঢাকা ও টোকিওর কূটনৈতিক প্রতিনিধিরা সফরের সুনির্দিষ্ট সময়সূচি এবং আলোচনার মূল এজেন্ডাগুলো চূড়ান্ত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। সফরে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে বাণিজ্য সম্প্রসারণ, জ্বালানি নিরাপত্তা, রোহিঙ্গা সংকট সমাধান এবং নতুন মেগাপ্রকল্পে স্বল্প সুদে ওডিএ (ODA) ঋণ প্রাপ্তিসহ বিভিন্ন কৌশলগত বিষয়ে যৌথ আলোচনা হবে।
এই সফরের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রে রয়েছে গত ৬ ফেব্রুয়ারি স্বাক্ষরিত ঐতিহাসিক ‘বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ)’। এর মাধ্যমে ইতোমধ্যেই জাপানের বাজারে বাংলাদেশের প্রায় ৭,৪০০টি পণ্যের শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত হয়েছে, যা দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য তিন বিলিয়ন ডলার থেকে দ্রুত পাঁচ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করতে সহায়তা করবে। পাশাপাশি, বিশ্বব্যাপী জ্বালানি সংকটের প্রেক্ষাপটে এলএনজি ও নবায়নযোগ্য বিদ্যুৎ খাতে জাপানি সহযোগিতা এবং বাংলাদেশে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির পরিধি বৃদ্ধি নিয়ে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী। আড়াইহাজারের আদলে জাপানের জন্য নতুন অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টির বিষয়গুলোতেও জোরালো আলোচনা হতে পারে। ব্যবসায়ী মহলের মতে, এই সফর জাপানি বিনিয়োগকারীদের আস্থা পুনরুদ্ধার এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে অত্যন্ত সময়োপযোগী ভূমিকা রাখবে।


















