রবিবার , ৫ জুলাই ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

সফটওয়্যার জটিলতায় আটকে গেছে নতুন পে-স্কেলের গেজেট

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
জুলাই ৫, ২০২৬ ২:৫০ অপরাহ্ণ

Spread the love

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দীর্ঘ প্রতীক্ষিত নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) বাস্তবায়নের পথে মূল অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে ডিজিটাল বেতন ব্যবস্থার সফটওয়্যার সংক্রান্ত জটিলতা। এই কারিগরি সমস্যার কারণেই চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়নের পূর্বঘোষণা থাকলেও, এখন পর্যন্ত এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা সম্ভব হয়নি। ফলে সরকারি চাকরিজীবী ও অবসরপ্রাপ্তদের মনে বেতন বৃদ্ধি, নতুন ভাতা যুক্ত হওয়া এবং অবসরকালীন আর্থিক সুবিধা নিয়ে এক ধরণের গভীর অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। তবে বিলম্ব হলেও নতুন বেতন কাঠামোর কার্যকারিতা ১ জুলাই থেকেই গণনা করা হবে; যার ফলে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা পরবর্তীতে বকেয়াসহ (অ্যারিয়ার) বর্ধিত বেতন-ভাতার সুবিধা পুরোটাই ভোগ করতে পারবেন।

ধাপে ধাপে পে-ফিক্সেশনে আইবাস ও ইএফটি সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতা

প্রশাসনিক ও কারিগরি দিকগুলো নিখুঁতভাবে সমন্বয় করে গেজেট প্রস্তুত করতে গিয়ে সরকারকে এখন বাড়তি সময় নিতে হচ্ছে। অর্থ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি অথবা শেষ সপ্তাহে এই ঐতিহাসিক গেজেট জারি হতে পারে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হয়ে দাঁড়িয়েছে বর্তমান ডিজিটাল সফটওয়্যার ব্যবস্থা। ২০১৫ সালে যখন অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল বাস্তবায়ন করা হয়েছিল, তখন বেশিরভাগ কাজ ম্যানুয়ালি বা হাতে-কলমে করা হলেও এখন পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন-ভাতা, ইনক্রিমেন্ট, পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও জিপিএফসহ প্রায় সব আর্থিক লেনদেন ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফার (ইএফটি) এবং ‘আইবাস’ (iBAS++) সফটওয়্যারের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। এই স্বয়ংক্রিয় ব্যবস্থায় ধাপে ধাপে মূল বেতন কার্যকর করতে গেলে সফটওয়্যারে বড় ধরনের কোডিং ও কারিগরি পরিবর্তন আনতে হবে।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতির আহ্বায়ক আব্দুল মালেক বলেন, “আগের মতো হাতে বেতন নির্ধারণের সুযোগ এখন নেই। যদি একাধিক ধাপে মূল বেতন কার্যকর করা হয়, তাহলে একই কর্মচারীর জন্য বারবার পে-ফিক্সেশন করতে হবে। এতে সফটওয়্যার পরিবর্তন, প্রশাসনিক জটিলতা এবং ভুল হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়বে।” তিনি আরও জানান, এর ফলে পদোন্নতি, বার্ষিক ইনক্রিমেন্ট, টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড ও অবসরজনিত সুবিধা নির্ধারণেও নতুন করে জটিলতা তৈরি হতে পারে। এই কারিগরি জটিলতার কারণে সবচেয়ে বেশি উদ্বেগে পড়েছেন অবসরের দ্বারপ্রান্তে থাকা কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। যেহেতু পেনশন, গ্র্যাচুইটি ও ছুটির নগদায়নসহ অধিকাংশ আর্থিক সুবিধা শেষ প্রাপ্ত মূল বেতনের ভিত্তিতে নির্ধারিত হয়, তাই বর্তমান ডিজিটাল বেতন ব্যবস্থায় দুই বা তিন ধাপে অবসর সুবিধা সমন্বয়ের সুযোগ নেই।

সংকট উত্তরণে শতভাগ মূল বেতন একবারে কার্যকরের প্রস্তাব

এই কারিগরি সংকট ও অবসরপ্রাপ্তদের শঙ্কা মোকাবিলায় কল্যাণ সমিতির পক্ষ থেকে একটি বাস্তবসম্মত সমাধানের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। আব্দুল মালেকের মতে, ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের পরিবর্তে প্রথম দফাতেই শতভাগ মূল বেতন কার্যকর করে একবারে পে-ফিক্সেশন সম্পন্ন করা উচিত। এরপর বাড়ি ভাড়া, চিকিৎসাসহ অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতাগুলো পর্যায়ক্রমে পরের ধাপগুলোতে যুক্ত করা যেতে পারে। এই পদ্ধতি অনুসরণ করলে বারবার সফটওয়্যার পরিবর্তনের প্রয়োজন হবে না এবং অবসরে যাওয়া ব্যক্তিদের ক্ষেত্রেও কোনো ধরনের বৈষম্য বা জটিলতা তৈরির আশঙ্কা থাকবে না।

এর আগে চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছিলেন। বর্তমানে উচ্চপর্যায়ের একটি বিশেষ সচিব কমিটি নতুন বেতন কাঠামোর আর্থিক প্রভাব, সফটওয়্যারের সামঞ্জস্যতা ও প্রশাসনিক বিষয়গুলো নিবিড়ভাবে পর্যালোচনা করছে। প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরও ইতিপূর্বে জানিয়েছেন, দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক ও আর্থিক সক্ষমতাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করা হবে।

এদিকে অর্থনীতিবিদদের মতে, দীর্ঘ ১১ বছর পর সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির এই সিদ্ধান্ত নিঃসন্দেহে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয়। তবে এর ফলে বাজারে নতুন করে মূল্যস্ফীতি বা দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির ওপর সম্ভাব্য যে চাপ তৈরি হতে পারে, তা মোকাবিলায় সরকারকে অবশ্যই আগে থেকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে হবে। বেতন বৃদ্ধির সুফলের পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক ভারসাম্য বজায় রাখাকে সমান গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

অবশেষে উঠে এল জিয়াউর রহমানের পলাতক খুনিকে গ্রেপ্তারের রুদ্ধশ্বাস অভিযানের গল্প

ইরানকে পরমাণু অস্ত্র পেতে দেওয়া হবে না: ট্রাম্প, একমত রাজা চার্লস

নিম্নচাপের প্রভাবে সব সমুদ্রবন্দরে এক নম্বর সতর্কতা

বিমসটেক সমুদ্র পরিবহণ সহযোগিতা চুক্তিতে সই

তারেক রহমানের সঙ্গে চীনা রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ

হাসিনাসহ তিন আসামির রায় সামনে, রাজধানীতে কড়া নিরাপত্তা

ভারতকে যুদ্ধের হুঁশিয়ারি পাকিস্তানি প্রতিরক্ষামন্ত্রীর

ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা: নিহত ১০, আহত শতাধিক

ঈদে যানজটমুক্ত সড়ক নিশ্চিতের নির্দেশ সেতুমন্ত্রীর

ড. ইউনূসের পদত্যাগ চায় না বিএনপি, জানালেন সালাহউদ্দিন