ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির সঙ্গে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করার কোনো আগ্রহ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প. তবে কোনো দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক চুক্তি চূড়ান্ত করার স্বার্থে প্রয়োজন হলে সরাসরি আলোচনা বা বৈঠক হতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন. স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার (৪ জুন) হোয়াইট হাউজের ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ইরানের বিষয়ে ওয়াশিংটনের এই নীতিগত অবস্থান তুলে ধরেন.
পারমাণবিক কর্মসূচি ও সামরিক হুঁশিয়ারি
সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জোরালোভাবে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, ইরানকে কোনো অবস্থাতেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জন করতে দেওয়া হবে না. তেহরানের সমৃদ্ধ (এনরিচড) ইউরেনিয়ামের ওপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করার বিষয়ে ওয়াশিংটন অত্যন্ত দৃঢ়প্রতিজ্ঞ. এর পাশাপাশি তিনি ইরানকে একটি কঠোর সামরিক সতর্কবার্তা দিয়ে বলেন, মধ্যপ্রাচ্য বা বিশ্বের কোথাও কোনো হামলায় যদি মার্কিন সেনাসদস্যদের মৃত্যু হয়, তবে সেটি ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অভিযান পুনরায় শুরু করার জন্য যথেষ্ট ও উপযুক্ত কারণ হয়ে উঠবে.
আলোচনা ও হরমুজ প্রণালী উন্মুক্তকরণ
ইরানের সঙ্গে চলমান সম্ভাব্য চুক্তির বিস্তারিত তথ্য এই মুহূর্তে প্রকাশ করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প. তিনি কেবল জানান যে, বর্তমানে এ বিষয়ে আলোচনা চলমান রয়েছে এবং সঠিক সময় এলে জনগণ এর বিষয়বস্তু সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে পারবে. তবে তিনি দাবি করেন যে, যেকোনো চুক্তির অংশ হিসেবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ ‘হরমুজ প্রণালী’ সঙ্গে সঙ্গেই বাণিজ্যিক ও সাধারণ চলাচলের জন্য পুনরায় উন্মুক্ত করে দেওয়া হবে. সবশেষে ট্রাম্প আত্মবিশ্বাসের সাথে উল্লেখ করেন যে, কূটনৈতিক কিংবা সামরিক—যেকোনো পথেই হোক না কেন, শেষ পর্যন্ত এই সংকটে যুক্তরাষ্ট্রই সফল হবে.



















