সারাদেশে হামের হঠাৎ প্রাদুর্ভাবকে “বজ্রপাতের মতো আকস্মিক” অভিহিত করে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল জানিয়েছেন, সরকার এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় এখন পুরোপুরি প্রস্তুত। বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল, ২০২৬) ঢাকা শিশু হাসপাতালে হামজনিত নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টের চিকিৎসায় ‘বাবল সিপ্যাপ’ (Bubble CPAP) ব্যবহারের প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর বক্তব্য এবং সরকারের গৃহীত পদক্ষেপের মূল বিষয়গুলো নিচে তুলে ধরা হলো:
- জরুরি টিকাদান কার্যক্রম: আগামী রবিবার (৫ এপ্রিল, ২০২৬) থেকে দেশব্যাপী মাঠপর্যায়ে হাম প্রতিরোধের বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
- টার্গেট গ্রুপ: এই কর্মসূচির আওতায় ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সী সকল শিশুকে টিকার আওতায় আনা হবে। যাদের আগে টিকা দেওয়া আছে, তারাও এই বিশেষ ক্যাম্পেইনে টিকা নিতে পারবে।
- আকস্মিক প্রাদুর্ভাব: মন্ত্রী স্বীকার করেন যে, হামের এই ভয়াবহ রূপটি অনেকটা অপ্রত্যাশিতভাবে এসেছে, যার জন্য প্রাথমিক প্রস্তুতি ছিল না। তবে বর্তমানে পর্যাপ্ত টিকা ও জনবল নিশ্চিত করা হয়েছে।
- বিশেষ চিকিৎসা ব্যবস্থা: হামের জটিলতা হিসেবে শিশুদের শ্বাসকষ্ট ও নিউমোনিয়া দেখা দিচ্ছে। এটি সামাল দিতে চিকিৎসকদের বিশেষায়িত ‘বাবল সিপ্যাপ’ পদ্ধতি ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, যা আইসিইউ-র বিকল্প হিসেবে শিশুদের জীবন বাঁচাতে কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, শিশুদের সুরক্ষায় মা-বাবাদের নিকটস্থ টিকাদান কেন্দ্রে যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় সংক্রমণের হার বেশি, সেখানে বাড়তি নজরদারি রাখা হচ্ছে।



















