মঙ্গলবার , ৭ এপ্রিল ২০২৬ |
  1. অপরাধ
  2. আইন-আদালত
  3. আন্তর্জাতিক
  4. আবহাওয়া
  5. এভিয়েশন
  6. কৃষি
  7. ক্যাম্পাস
  8. খেলাধুলা
  9. ছবি
  10. জনদুর্ভোগ
  11. জনপ্রিয়
  12. জাতীয়
  13. ডেঙ্গু
  14. দুর্ঘটনা
  15. ধর্ম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের বিচার: সংসদে সংশোধনী বিল পাস

প্রতিবেদক
অনলাইন ডেস্ক
এপ্রিল ৭, ২০২৬ ৮:৩২ পূর্বাহ্ণ

Spread the love

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের শিকার ব্যক্তিদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে একটি ঐতিহাসিক পদক্ষেপ নিয়েছে জাতীয় সংসদ। আজ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল, ২০২৬) সংসদ অধিবেশনে ‘ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইমস ট্রাইব্যুনালস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল ২০২৬’ কণ্ঠভোটে পাস হয়েছে। এই সংশোধনীর মাধ্যমে বাংলাদেশের আইনে প্রথমবারের মতো ‘গুম’ বা এনফোর্সড ডিসঅ্যাপিয়ারেন্স-কে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে সংজ্ঞায়িত করা হলো।

বিলের বিস্তারিত ও সংসদীয় আলোচনার মূল অংশগুলো নিচে তুলে ধরা হলো:

১. বিলের মূল উদ্দেশ্য ও প্রভাব

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করেন। এই সংশোধনীর ফলে:

  • আইনি ভিত্তি: ১৯৭৩ সালের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালস অ্যাক্টে গুমকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
  • বিচারের পথ প্রশস্ত: এখন থেকে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে গুমের সাথে জড়িত ব্যক্তি বা বাহিনীর বিচার করা সম্ভব হবে।
  • মানবাধিকার রক্ষা: গুমকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে বাংলাদেশের আইনি কাঠামো উন্নীত হলো।

২. আইনমন্ত্রীর বক্তব্য ও সদিচ্ছার প্রতিফলন

বিলটি পাসের সময় আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বলেন, “যারা বলছেন আমরা গুমের বিচার চাচ্ছি না, তাদের বলবো—এই আইনটা ভালো করে পড়ে দেখবেন। গুম আগে মানবতাবিরোধী অপরাধের তালিকায় ছিল না। আমরা তা অন্তর্ভুক্ত করে বিচারের ব্যাপারে আমাদের সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়েছি।” তিনি আরও যোগ করেন যে, গুমের সঙ্গে সম্পৃক্ত অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনতে সরকার সম্পূর্ণ প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।

৩. বিরোধীদলীয় নেতা ও স্পিকারের প্রতিক্রিয়া

  • বিরোধীদলীয় নেতা: বিলটি পাসের পর সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়ায় বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান জানান, নির্দিষ্ট সময়ে এই বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনায় তারা অংশগ্রহণ করবেন।
  • স্পিকারের নির্দেশনা: আলোচনার এক পর্যায়ে স্পিকার মেজর হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম আইনমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে সংসদীয় রীতিনীতি বজায় রাখার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, বাইরের সমালোচনার চেয়ে সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের ওপর ভিত্তি করেই আলোচনা সীমাবদ্ধ রাখা উচিত এবং সংসদীয় বিধি অনুযায়ী কাজ চালিয়ে যেতে হবে।

৪. প্রেক্ষাপট

বিগত বছরগুলোতে গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই অপরাধের বিচার নিশ্চিত করা। এই বিল পাসের মাধ্যমে সেই দাবির আইনি ভিত্তি তৈরি হলো। এর আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অনেকগুলো অধ্যাদেশ জারি করা হয়েছিল, যা বর্তমানে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিল আকারে পাসের প্রক্রিয়া চলছে।

আজকের এই বিল পাসের ঘটনাকে মানবাধিকারকর্মী ও সংশ্লিষ্টরা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় মাইলফলক হিসেবে দেখছেন।

সর্বশেষ - অপরাধ

আপনার জন্য নির্বাচিত

ভেনেজুয়েলার ১৭ তেলক্ষেত্রে নিয়ন্ত্রণ নিতে যাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

দেশের ১০ জেলা সদর হাসপাতালে আইসিইউ চালু: স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত

এনসিপি ড. ইউনূসের দল, বললেন রাজনৈতিক বিশ্লেষক জাহেদ উর রহমান

ঘরোয়াভাবে বিয়ে করলেন নায়িকা শিরিন শিলা

হেলিকপ্টার থেকে নেমেই প্রার্থিতা ঘোষণা করলেন প্রবাসী

চট্টগ্রামে রগ কাটা অবস্থায় শিক্ষার্থীর লাশ উদ্ধার

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া আগস্টের শেষার্ধে

শেষ মুহূর্তের গোলে ডাচদের রুখে দিল জাপান

শহীদ হওয়া ব্যক্তিদের পরিবারের অন্তত একজন যেন সরকারি চাকরি পান :ডা. শফিকুর রহমান

২০১৮ সালের নির্বাচনে রাতের ভোট নিয়ে সাবেক আইজিপির বিস্ফোরক জবানবন্দি