প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জানিয়েছেন, ভোটের কালি নখ থেকে মোছার আগেই তাঁর সরকার জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিটি অঙ্গীকার বাস্তবায়নে কাজ শুরু করেছে। শনিবার (১৪ মার্চ ২০২৬) সকালে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের মাসিক সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এ কথা বলেন।
অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ ও গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণাসমূহ:
- সর্বজনীন সম্মানী: নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী কেবল মসজিদের ইমাম-মুয়াজ্জিন নন, বরং হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান ধর্মের পুরোহিত, সেবায়েত এবং বিহার অধ্যক্ষদেরও রাষ্ট্রীয় সম্মানীর আওতায় আনা হয়েছে।
- পাইলট প্রকল্প: প্রথম পর্যায়ে ৪,৯০৮টি মসজিদ, ৯৯০টি মন্দির এবং ১৪৪টি বৌদ্ধ বিহারের মোট ১৬,৯৯২ জন ধর্মীয় নেতা এই সুবিধা পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সারা দেশের ধর্মীয় নেতাদের এর আওতায় আনা হবে।
- নতুন কার্ড ও কর্মসূচি: নারীদের জন্য ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু হয়েছে। আগামী ১৪ এপ্রিল (পহেলা বৈশাখ) থেকে ‘ফার্মার্স কার্ড’ বা কৃষক কার্ড চালু এবং ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে খাল খনন কর্মসূচি শুরু হবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান।
- সামাজিক উন্নয়ন: প্রতিটি জেলার আইনশৃঙ্খলা বিষয়ক বৈঠকে একজন করে ধর্মীয় প্রতিনিধি অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। তিনি বলেন, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে জোর দিয়ে বলেন, কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি নয়, বরং ধৈর্য, সততা ও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন সমাজ গঠনে ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। তিনি মসজিদগুলোকে সামাজিক ও নৈতিক শিক্ষার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করার আহ্বান জানান।


















